শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ঝিনাইদহে ব্যাগ থেকে ককটেলসদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার

>> রাউজানে গভীর রাতে পিকআপে আগুন, আতঙ্কে স্থানীয়রা

>> কৃষক লীগ নেতাকে ছাড়াতে থানায় তদবিরের অভিযোগ, বিএনপি-জামায়াতের আটজন আটক

>> কুষ্টিয়া মেডিকেলে রোগীর মৃত্যু ঘিরে স্বজন-চিকিৎসকদের হাতাহাতি, মামলা

>> বাদ পড়া শিশুদের জন্য আবারও হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি

>> মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুরে উদ্বেগ, জড়িতদের শাস্তির দাবি

>> ইসলামাবাদে নিরাপত্তা জোরদার, ইমরানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের লংমার্চ ৪ অক্টোবর

>> মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার

>> ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে চীনই কি বেশি সুবিধা পেল?

>> সুন্দরীর জায়গা দখল করছে কাঁকড়াগাছ, সুন্দরবনে কেন বদলাচ্ছে গাছের বিন্যাস

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

বাদ পড়া শিশুদের জন্য আবারও হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি


Rabeya ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:৩৮



বাদ পড়া শিশুদের জন্য আবারও হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি


হামের প্রাদুর্ভাবের কয়েক মাস পর টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে নতুন করে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সরকার। শনিবার রাজধানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

নতুন কর্মসূচিতে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। এর আগে ৫ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত মূল ক্যাম্পেইনে যেসব শিশু টিকা নিতে পারেনি, তাদের এবার অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রে এদিন শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের উপস্থিতি দেখা যায়। কড়াইল বস্তি থেকে আসা একাধিক শিশুকেও টিকা নিতে দেখা গেছে।

অভিভাবকদের কয়েকজন জানান, কারও সন্তান অসুস্থ থাকার কারণে আগে টিকা নিতে পারেনি, আবার কেউ ভিড় বা শারীরিক সমস্যার কারণে কেন্দ্রে যেতে পারেননি। এবার বিশেষ কর্মসূচির খবর পেয়ে তাঁরা সন্তানদের নিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে এসেছেন।

ক্যাম্পেইন উদ্বোধনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে কয়েক বছর হাম প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি থাকায় এর প্রভাব পড়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ধাপে ধাপে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আরও প্রায় ১৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। এরপরও হাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এবার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী আরও ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলো আগের ধাপে টিকা নিতে না পারা শিশুদের শনাক্ত করে তাদের টিকার আওতায় আনা।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ছাদ, পরিত্যক্ত পাত্র, কমোড ও পুরোনো টায়ারে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। এসব স্থানে লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কম রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দ্বিতীয় দফার এই কর্মসূচিতে কোনো শিশু যেন টিকাদান থেকে বাদ না পড়ে, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. জাহিদ রায়হানও আশা প্রকাশ করেন, নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে আগের ধাপে বাদ পড়া সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি (অন্তর্বর্তীকালীন) জিলিয়ান মেলসপ, বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপপ্রতিনিধি রাজেশ নারওয়ালসহ স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।