শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ফৌজদারি অভিযোগের পরও পদোন্নতি, যশোর বিআরটিএ কর্মকর্তাকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ

>> পরীক্ষার সময় বই খুলে লিখছিলেন, ভিডিও করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা

>> জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

>> ইমরান খানের মুক্তির দাবি করে কেঁদে বললেন মিয়াঁদাদ, ‘ইমরান সৎ মানুষ’

>> জ্বালানির অভাবে চলে না জেনারেটর, বিদ্যুৎ গেলে হাতপাখাই ভরসা

>> সচিবালয়ে সাপ হত্যা: কী বলছে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন

>> আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে বিধিনিষেধ জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

>> ঢাকায় ছিনতাইয়ের সময় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

>> দুধ দিয়ে গোসল করে যুবকের ঘোষণা, ‘অনেক কষ্ট পেয়েছি, ভালোবাসা থেকে সরে আসছি’

>> সিদ্ধান্ত বদল নেপাল সরকারের, বিদেশি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলকে অনুমতি

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

জ্বালানির অভাবে চলে না জেনারেটর, বিদ্যুৎ গেলে হাতপাখাই ভরসা


Rabeya ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:১১



জ্বালানির অভাবে চলে না জেনারেটর, বিদ্যুৎ গেলে হাতপাখাই ভরসা


বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ চলে গেলে ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য ফ্যান চালানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি কেনার বরাদ্দ না থাকায় সেটি নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না। ফলে গরমে রোগী ও স্বজনদের হাতপাখার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ৫৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বিদ্যুৎ চলে গেলে ভ্যাপসা গরমে তাঁদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের কষ্ট বেশি হচ্ছে।

শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসাধীন আবদুস সামাদ নামের এক রোগীর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর সমস্যা আরও বেড়ে যায়। স্বামীকে স্বস্তি দিতে তাঁর স্ত্রী চম্পা বেগম দীর্ঘসময় হাতপাখা দিয়ে বাতাস করেন।

হাসপাতালের নার্স নাজনীন আক্তার জানান, বিদ্যুৎ চলে গেলে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুটি করে এনার্জি বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা আছে। তবে ফ্যান চালানোর ব্যবস্থা নেই

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, জরুরি বিভাগে আইপিএসের মাধ্যমে ফ্যান ও বাতি চালানো যায়। অপারেশন থিয়েটারের জন্য জেনারেটরও রয়েছে। তবে সেটি সাধারণত জরুরি প্রয়োজনেই চালু করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি কেনার জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। জ্বালানি সরবরাহ করা হলে ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যান চালানো সম্ভব হবে।