শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’—অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহার

>> শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি, ডাকসুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন

>> জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

>> হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আইসিসির আগস্টের মাসসেরা দিনুশা

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি

>> হুতিদের ঠেকাতে মিত্রদের কাছে সামরিক সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

>> শত বছরের পশ্চিম বাজার, হাট থেকে রেমিট্যান্সনির্ভর বাণিজ্যকেন্দ্র

>> চুক্তির মাধ্যমে চার বন্ধ পাটকল চালু করল আবুল খায়ের গ্রুপ

>> হ্যাটট্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলেন খালেদ, কেন্টের হয়ে অভিষেকে নিলেন ৮ উইকেট

>> রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল

আপনি পড়ছেন : চট্টগ্রাম

বিয়ের জন্য পাত্রী দেখে ফিরছিলেন যুবক, সড়কে মিলল রক্তাক্ত দেহ


Rabeya ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ২:২৮



বিয়ের জন্য পাত্রী দেখে ফিরছিলেন যুবক, সড়কে মিলল রক্তাক্ত দেহ


বিয়ের জন্য পাত্রী দেখে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন চট্টগ্রামের রাউজানের যুবক অপু দাশ (২৯)। কিন্তু বাড়ি ফেরা হয়নি তাঁর। সড়কের ওপর গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকা অপুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

শুক্রবার রাতে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের একটি সড়কে নিজের মোটরসাইকেলসহ পড়ে ছিলেন অপু। তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অজ্ঞাত কোনো গাড়ির ধাক্কায় তিনি আহত হন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের গঙ্গা মন্দিরে বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়েছিলেন অপু। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়।

রাত আটটার দিকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন অপু। কিছুক্ষণ পর সড়কে তাঁর আহত অবস্থায় পড়ে থাকার খবর পান পরিবারের সদস্যরা। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কর্মস্থল দ্য বিসিসিইউএল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

অপু রাঙ্গুনিয়া উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ওই এলাকার মৃত বাদল দাশের একমাত্র ছেলে। রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকার একটি হাসপাতালে বিপণন ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

হাসপাতালের পরিচালক মৃণাল কান্তি বড়ুয়া বলেন, কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো একটি গাড়ি অপুর মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে চলে গেছে।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে অজ্ঞাত কোনো গাড়ির ধাক্কায় অপুর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনাস্থলে কোনো গাড়ি পাওয়া যায়নি। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।