বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’—অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহার

>> শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি, ডাকসুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন

>> জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

>> হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আইসিসির আগস্টের মাসসেরা দিনুশা

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি

>> হুতিদের ঠেকাতে মিত্রদের কাছে সামরিক সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

>> শত বছরের পশ্চিম বাজার, হাট থেকে রেমিট্যান্সনির্ভর বাণিজ্যকেন্দ্র

>> চুক্তির মাধ্যমে চার বন্ধ পাটকল চালু করল আবুল খায়ের গ্রুপ

>> হ্যাটট্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলেন খালেদ, কেন্টের হয়ে অভিষেকে নিলেন ৮ উইকেট

>> রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল

আপনি পড়ছেন : বিনোদন

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আদালতে হাজির অভিনেতা আলভী


২৭ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৪৮



স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আদালতে হাজির অভিনেতা আলভী


স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় মাকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভী। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে তিনি ও তাঁর মা নাসরিন সুলতানা হাজিরা দেন।

মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা ডিবি পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। পরে আদালত আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। একই সঙ্গে ওই তারিখ পর্যন্ত আলভীর জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা জানান, তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ দিয়েছেন। অসুস্থতার কারণে মামলার বাদী ও ইকরার বাবা কবির হায়াত খান এদিন আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি।

আদালতে হাজিরা শেষে মাকে সঙ্গে নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আলভী বলেন, ‘আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।’

মামলার অভিযোগ

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় আলভী নেপালে ছিলেন।

ইকরার বাবা কবির হায়াত খান ওই রাতেই মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণে ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে গত ৪ জুন আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। ১৮ জুন জাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে তা নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নেন। এরপর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন আলভী।