শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> সাগরে গোসলে নেমে ভেসে গেলেন তিন পর্যটক, একজনের মৃত্যু; দুজন উদ্ধার

>> খানাখন্দ আর নির্মাণকাজে বেহাল সড়ক, চলাচলে চরম ভোগান্তি

>> ফাইনালে উঠতে পারলেন না মিরাজ, হেটমায়ারের সেঞ্চুরিও হলো বৃথা

>> ভাষা ও উচ্চারণ নিয়ে ট্রল, এবার নিজের দুর্বলতার কথা জানালেন রাশমিকা

>> তৃতীয় দফা ভোটেও স্পষ্ট নয় জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে

>> ‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’—অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহার

>> শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি, ডাকসুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন

>> জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

>> হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আইসিসির আগস্টের মাসসেরা দিনুশা

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি

আপনি পড়ছেন : বিনোদন

ভাষা ও উচ্চারণ নিয়ে ট্রল, এবার নিজের দুর্বলতার কথা জানালেন রাশমিকা


Rabeya ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:১০



ভাষা ও উচ্চারণ নিয়ে ট্রল, এবার নিজের দুর্বলতার কথা জানালেন রাশমিকা


তেলেগু, কন্নড়, তামিল ও হিন্দি—ভারতের একাধিক ভাষার সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করছেন রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণের চলচ্চিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে এখন বলিউডেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন এই অভিনেত্রী। তবে বিভিন্ন ভাষায় অভিনয় করতে গিয়ে উচ্চারণ ও সংলাপ বলার ধরন নিয়ে প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।

এবার এসব ট্রল ও সমালোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন রাশমিকা। তাঁর বক্তব্য, তিনি কোনো একটি ভাষায় বিশেষজ্ঞ নন। বরং বিভিন্ন ভাষায় কাজ করতে করতে প্রতিটির সঙ্গে তাঁর আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

রাশমিকার মাতৃভাষা কোদাভা টাক। ভারতের কর্ণাটকের কুর্গ অঞ্চলে এ ভাষার ব্যবহার থাকলেও এ ভাষায় বড় কোনো চলচ্চিত্রশিল্প গড়ে ওঠেনি। ফলে অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তাঁকে অন্য ভাষায় কাজ করতে হয়েছে।

২০১৬ সালে কন্নড় সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয় রাশমিকার। পরে তেলেগু সিনেমায় একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি। এরপর তামিল ও হিন্দি চলচ্চিত্রেও কাজ শুরু করেন।

বিভিন্ন ভাষায় কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রাশমিকা জানিয়েছেন, কোনো একটি ভাষার ওপর নির্ভর করে তাঁর ক্যারিয়ার গড়ে ওঠেনি। কাজের সুযোগ এবং দর্শকের ভালোবাসাই তাঁকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষার সিনেমায় নিয়ে গেছে।

অভিনেত্রীর মতে, তিনি বিভিন্ন ভাষাকেই নিজের ভাষা হিসেবে গ্রহণ করার চেষ্টা করেন। যে অঞ্চলের দর্শকদের জন্য কাজ করেন, তাঁদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করাকে তিনি সম্মানের বিষয় হিসেবে দেখেন।

তবে উচ্চারণ নিয়ে সমালোচনার বিষয়টিও এড়িয়ে যাননি রাশমিকা। তিনি স্বীকার করেছেন, কোনো একটি ভাষাতেই নিজেকে ‘খুব ভালো’ বা বিশেষজ্ঞ মনে করেন না। একাধিক ভাষা জানলেও প্রতিটি ভাষায় নিখুঁত হওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

রাশমিকার এই বক্তব্যকে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রলের জবাব হিসেবেও দেখছেন। তাঁর অবস্থান হলো, একাধিক ভাষায় কাজ করতে গেলে উচ্চারণে কিছুটা পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। শেখার চেষ্টা এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দেন।

রাশমিকার ক্যারিয়ারেও এর প্রতিফলন রয়েছে। ‘গীত গোবিন্দম’, ‘ডিয়ার কমরেড’, ‘সারিলেরু নিক্কেভারু’ ও ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’-এর মতো ছবির মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে ‘গুডবাই’ দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় তাঁর। ‘অ্যানিমেল’ ছবির পর হিন্দি সিনেমাতেও তাঁর পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়।

বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় কাজ করার কারণে রাশমিকা এখন ভারতের পরিচিত বহুভাষিক অভিনেত্রীদের একজন। তবে এর সঙ্গে বাড়তি চাপও রয়েছে। ভিন্ন ভাষায় অভিনয়ের সময় উচ্চারণ বা সংলাপের সামান্য পার্থক্যও দর্শকদের নজরে পড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিয়ে দ্রুত আলোচনা শুরু হয়।

রাশমিকার বক্তব্য অনুযায়ী, এসব মন্তব্য নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে চান না তিনি। তাঁর কাছে সিনেমা একটি দলগত কাজ। একজন অভিনেতার পাশাপাশি পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, সংগীতশিল্পী ও অন্য কলাকুশলীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই একটি চলচ্চিত্র পূর্ণতা পায়।

বর্তমানে বেশ কয়েকটি নতুন কাজ নিয়ে ব্যস্ত রাশমিকা। বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে তাঁর নতুন সিনেমা নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি ‘মাইসা’সহ আরও কয়েকটি প্রকল্পে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে এই অভিনেত্রীকে।