শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> নদী থেকে আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

>> ব্যালন ডি’অর ভোটে মেসির সেরা তিনে আলজেরিয়ান তরুণ ইব্রাহিম মাজা

>> শ্রমিক অসন্তোষে আশুলিয়ার ১১ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

>> ৯ গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবি করে মামলা, হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

>> ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরিতে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সন্দেহ

>> রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর অনুমোদন

>> মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

>> ড. ইউনূস তিন-চার প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন: ফজলুর রহমান

>> পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

>> নির্বাচনে হারলে ফলাফল মেনে নেবেন তো ট্রাম্প?

আপনি পড়ছেন : চুয়াডাঙ্গা

আলমডাঙ্গায় নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ, জরিমানা ১৩ হাজার টাকা


Sifat Islam Sohag ১১ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৩:৩৬
আলমডাঙ্গায় নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ, জরিমানা ১৩ হাজার টাকা


চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে একটি ফার্মেসি ও ওষুধ কোম্পানির এক প্রতিনিধিকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার ৭১ মোড় পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মেসার্স জাতীয় কল্যাণ ফার্মেসিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন আলমডাঙ্গা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মন্ডল। অভিযানে চুয়াডাঙ্গা ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তা ইকরামুল করিম এবং আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

অভিযান শেষে ফার্মেসিটি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ফার্মেসির মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি এসিআই কোম্পানির প্রতিনিধি মো. রুবেল হোসেনকে জরিমানা করা হয় ৩ হাজার টাকা।

অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তবে অনেকেই প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার বলেন, এ ধরনের অভিযান আরও আগেই নিয়মিতভাবে চালানো প্রয়োজন ছিল। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হলে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

স্থানীয়দের মতে, ওষুধের দোকানগুলোতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হলে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিম্নমানের ওষুধ কেনার ঝুঁকি কমবে এবং সাধারণ মানুষ আরও নিরাপদ থাকবেন।