শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’—অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহার

>> শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি, ডাকসুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন

>> জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

>> হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আইসিসির আগস্টের মাসসেরা দিনুশা

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি

>> হুতিদের ঠেকাতে মিত্রদের কাছে সামরিক সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

>> শত বছরের পশ্চিম বাজার, হাট থেকে রেমিট্যান্সনির্ভর বাণিজ্যকেন্দ্র

>> চুক্তির মাধ্যমে চার বন্ধ পাটকল চালু করল আবুল খায়ের গ্রুপ

>> হ্যাটট্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলেন খালেদ, কেন্টের হয়ে অভিষেকে নিলেন ৮ উইকেট

>> রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

সেন্ট মার্টিনে কেয়াবন-নারকেলগাছ কেটে চলছে রিসোর্ট নির্মাণ


Rabeya ২৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:৩৩



সেন্ট মার্টিনে কেয়াবন-নারকেলগাছ কেটে চলছে রিসোর্ট নির্মাণ


সেন্ট মার্টিন দ্বীপে নতুন করে রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত কয়েকটি নতুন স্থাপনার নির্মাণকাজ চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু এলাকায় কেয়াবন ও নারকেলগাছ কেটে নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। কোথাও সৈকত থেকে বালু ও চুনাপাথর সংগ্রহ করে স্থাপনা তৈরির কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

সেন্ট মার্টিনকে ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়। এরপর দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। নতুন স্থাপনা নির্মাণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তবে এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও বিভিন্ন সময়ে হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে দ্বীপটির প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, অনেক স্থাপনা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিবেশবিদদের মতে, সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল। তাই উন্নয়নের নামে গাছপালা কাটা ও অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করে দ্বীপটির পরিবেশ রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।