বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ঢাকা জজ কোর্টে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিনের চেম্বারে অতর্কিত তাণ্ডব, চেম্বার বন্ধের হুমকির অভিযোগ

>> জামায়াতের সমঝোতার ধর্ষণ, বিএনপির চাঁদাবাজি, এনসিপির জুলাই এই মিলেই শেষ সাজানো দেশ -এম রহমান

>> ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

>> পাইপলাইনে মিয়ানমারের গ্যাস: কতটা বাস্তব, কতটা সম্ভাবনা?

>> বরগুনায় লোডশেডিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

>> বিদেশে অবস্থান করে আওয়ামী লীগ তৎপরতার চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মানুষ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

>> অস্ট্রেলিয়ায় শুধু লড়াই নয়, জয়ের লক্ষ্য নিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধান নির্বাচক

>> বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রত্যাশা আজও পূরণ হলো না

>> গ্যাস নেই, চুলা জ্বলে না—ভোগান্তির আগুনে পুড়ছে সাধারণ মানুষ

LIVE

জামায়াতের সমঝোতার ধর্ষণ, বিএনপির চাঁদাবাজি, এনসিপির জুলাই এই মিলেই শেষ সাজানো দেশ —এম রহমান
আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের পথ বের করতে হবে: মির্জা ফখরুল


Desk Report ৬ জুলাই ২০২৫, রাত ৮:২৩
তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের পথ বের করতে হবে: মির্জা ফখরুল
ছবি:সংগৃহীত

তর্ক-বিতর্ক গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, এর মধ্য দিয়েই সবাই মিলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ খুঁজে বের করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার প্রশ্নে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


রবিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে ফাউন্ডেশন ফর স্ট্রাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ আয়োজিত ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় ঐকমত্য অপরিহার্য’ শিরোনামে জাতীয় সংলাপে তিনি এই আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা বক্তব্য দেন।


গণতন্ত্রের প্রশ্নে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের মানুষ তর্ক-বিতর্কের মাঝেও একটা জায়গায় এসে পৌঁছেছে। আলোচনা, তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়েই আমরা সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রের পথ বের করতে পারব। কোনো নেতিবাচক চিন্তা না করে, আমরা যেন দ্রুত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারি, সেই চেষ্টা করতে হবে।’

ফখরুল বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন মত থাকবে। তবে সেগুলোকে এক জায়গায় এনে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা যাবে।’

বাংলাদেশের মানুষ যেকোনো ক্রান্তিকালে ঐতিহাসিকভাবেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে সেই তিতুমীরের সময় থেকে শুরু করে ২০২৪ পর্যন্ত প্রতিটি সময় দেশের মানুষ বিপদে রুখে দাঁড়িয়েছে।’

বিএনপি বরাবরই সংস্কারের পক্ষে জানিয়ে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘২০১৬ সালেই আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলেছি। ২০২৩ সালে ৩১ দফার কথা বলেছি। সেখানে পুরো রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলেছি। এখন কোথায় সমস্যা হচ্ছে, তা বুঝতে পারছি না। আমার মনে হয়, এই জায়গাটাতে আমাদের চিন্তা-ভাবনায় এক হওয়া দরকার।’


ফখরুল বলেন. ‘জনগণের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই, মতপার্থক্য রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। যেহেতু আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, তাই আমাদের তো বিভিন্ন মত থাকবেই। সেই মতগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে আমরা অন্তত এক জায়গায় আসি যে আমরা গণতন্ত্রে ফিরে যাবো, জনগণের  ক্ষমতা জনগণকে ফিরিয়ে দেবো। তারা ভোটের মাধ্যমে তাদের মত প্রতিষ্ঠিত করবে। এতে সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে।’ 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জনগণকে ক্ষমতায়িত করতে হবে। জনগণের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে হবে। সেটা করতে পারলে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবো।’