সোমবার, অক্টোবর ৫, ২০২৬
২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘ঘুষ খাওয়ার জন্যই পোশাক পরেছি’—এএসআইয়ের বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল

>> ‘না পারলে বলে দিন, আমরা পারছি না’—সরকারকে গোলাম পরওয়ার

>> শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সেনাবাহিনীতে প্রস্তুতি

>> কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, বিএনপিকে দায়ী করলেন নাহিদ ইসলাম

>> রেমিট্যান্সের বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্য, তবু আরবি ভাষা প্রশিক্ষণে অবহেলা কেন?

>> এলপিজির দাম এক লাফে বাড়ল ২৫২ টাকা, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৮৩৭ টাকা

>> আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার এই হাল কেন?

>> সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুই বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ২

>> ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সেলিম উদ্দিন ও সাদিক কায়েমের নাম জানাল জামায়াত

>> ডাববোঝাই নছিমন অতিক্রম করতে গিয়ে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল তিন মোটরসাইকেল আরোহীর

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

শনিবার মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম


স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম
ছবি:সংগৃহীত

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিলসহ চার দফা দাবিতে শনিবার ঢাকায় মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সমাবেশ সফল করতে সারা দেশে তোড়জোড়ের সঙ্গে কাজ চালাচ্ছে সংগঠনটি। 

হেফাজতের চার দফা হলো:

১. নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন ও এর প্রতিবেদন বাতিল করা। 

২. সংবিধানে বহুত্বদের পরিবর্তে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল করতে হবে। 

৩. হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলা প্রত্যাহার ও শাপলা চত্বরের কথিত হত্যাকাণ্ডসহ সব গণহত্যার বিচার করতে হবে। 

৪. ফিলিস্তিন ও ভারতে ‘মুসলিম গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধে’ সরকারকে ভূমিকা রাখতে হবে।

এই চার দফা দাবি নিয়ে সংগঠনটির নেতারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলার মাদ্রাসাগুলোতে সফর করেছেন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মহাসমাবেশ সফল করার দিক-নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি লোক জমায়েতেরও তাগিদ দিয়েছেন তৃণমূলে।

গত রমজানেই ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা ভাবছিলেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। তখন রমজান মাসের শেষ দিকে ঢাকায় বৈঠকে বসেন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। যেখানে মূল ইস্যু ছিল সংগঠনটির নেতাকর্মীদের নামে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার এবং ‘শাপলা চত্বরে গণহত্যার’ বিচার।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, মামলা প্রত্যাহার পিছিয়ে গেলে নির্বাচনের পর নতুন যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা এসব মামলাগুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। আমরা সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কারণ সরকার তো ইতিমধ্যেই নির্বাচন দেওয়ার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তো নির্বাচনের আবহ তৈরি হলে আমাদের মামলাগুলো প্রত্যাহার হবে না। আমরা একটা রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে যাবো। সরকার তো অনেকের হাজারো দাবি মানছে, তাহলে আমাদের দাবি মানতে সমস্যা কোথায়?