মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬
১০ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ফরিদপুর পৌরসভার উন্নয়নে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় আয়মান হোসেন অপু

>> ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ স্লিপার বাসের নিবন্ধন: বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ঝুঁকিতে জননিরাপত্তা

>> ওসি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর গাড়ি আটকে আড়াই কোটি টাকার মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিএনপি নেতা সম্রাটের বিরুদ্ধে

>> দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, ফ্লাইট চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন

>> অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিল: সঠিক পথে এগোনোর সুযোগ

>> অবশেষে অনুমতি পেলো ২০০৮ মডেলের ১১২ সিএনজি অটোরিকশার প্রতিস্থাপনের জন্য স্ক্রাপকরণ

>> নুসরাতের পরিবারের নিরাপত্তা জোরদার, রায় ঘিরে সতর্ক পুলিশ

>> জঙ্গল থেকে মায়ের লাশ উদ্ধারের পাঁচ দিন পর নদে মিলল শিশুসন্তানের মরদেহ

>> নিষেধাজ্ঞায় কি ইরানকে থামানো যাবে? ‘অ্যানাকোন্ডা কৌশল’ নিয়ে নতুন বিশ্লেষণ

>> গ্যাস সংকটে টাইলস উৎপাদনে ধস, বাজারে বাড়ছে পণ্যের সংকট

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

শনিবার মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম


স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম
ছবি:সংগৃহীত

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিলসহ চার দফা দাবিতে শনিবার ঢাকায় মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সমাবেশ সফল করতে সারা দেশে তোড়জোড়ের সঙ্গে কাজ চালাচ্ছে সংগঠনটি। 

হেফাজতের চার দফা হলো:

১. নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন ও এর প্রতিবেদন বাতিল করা। 

২. সংবিধানে বহুত্বদের পরিবর্তে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল করতে হবে। 

৩. হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলা প্রত্যাহার ও শাপলা চত্বরের কথিত হত্যাকাণ্ডসহ সব গণহত্যার বিচার করতে হবে। 

৪. ফিলিস্তিন ও ভারতে ‘মুসলিম গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধে’ সরকারকে ভূমিকা রাখতে হবে।

এই চার দফা দাবি নিয়ে সংগঠনটির নেতারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলার মাদ্রাসাগুলোতে সফর করেছেন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মহাসমাবেশ সফল করার দিক-নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি লোক জমায়েতেরও তাগিদ দিয়েছেন তৃণমূলে।

গত রমজানেই ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা ভাবছিলেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। তখন রমজান মাসের শেষ দিকে ঢাকায় বৈঠকে বসেন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। যেখানে মূল ইস্যু ছিল সংগঠনটির নেতাকর্মীদের নামে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার এবং ‘শাপলা চত্বরে গণহত্যার’ বিচার।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, মামলা প্রত্যাহার পিছিয়ে গেলে নির্বাচনের পর নতুন যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা এসব মামলাগুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। আমরা সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কারণ সরকার তো ইতিমধ্যেই নির্বাচন দেওয়ার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তো নির্বাচনের আবহ তৈরি হলে আমাদের মামলাগুলো প্রত্যাহার হবে না। আমরা একটা রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে যাবো। সরকার তো অনেকের হাজারো দাবি মানছে, তাহলে আমাদের দাবি মানতে সমস্যা কোথায়?