রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

>> শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের একটি অংশ হত্যা করেছিল: ত্রাণমন্ত্রী

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

>> গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর

>> বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন ডগ স্কোয়াড

>> ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

>> জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী

>> ইরানে ‘দখলদার’ হিসেবে থাকার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের দাবিও

>> চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ


Rabeya ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৪:০৬



হাজতখানায় কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর, ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অভিযোগ


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান কেক কেটেছেন—এমন অভিযোগকে সত্য নয় বলে দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবী ও বোন নাজনীন নাহার। তাঁর অভিযোগ, যাচাইহীন ও ভুল তথ্য প্রচারের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানকে গণমাধ্যমে ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ মুখোমুখি করা হচ্ছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার চলছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় এক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের পর নাজনীন নাহার ট্রাইব্যুনালের কাছে কেক কাটার প্রসঙ্গটি তুলে ধরেন।

‘ঘটনার দিন ট্রাইব্যুনালে ছিলেন না জিয়াউল’

ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের নাজনীন নাহার বলেন, ১৮ আগস্ট হাজতখানায় কেক কাটার একটি ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে কারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে বা কে কেক কেটেছেন, সে বিষয়ে তাঁর কোনো তথ্য নেই।

তাঁর দাবি, যে দিন কেক কাটার ঘটনা ঘটেছে বলে বলা হচ্ছে, সেদিন জিয়াউল আহসান ট্রাইব্যুনালেই উপস্থিত ছিলেন না। এরপরও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাঁকে জড়িয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নাজনীন নাহার বলেন, কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও যদি একজনকে নিয়ে এমন খবর প্রচার করা হয়, তাহলে সেটি অন্যায়। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের প্রচার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর শামিল। তিনি বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের নজরে এনে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার চেয়েছেন।

বিচারাধীন বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ

এ বিষয়ে বিচারাধীন মামলা নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-সংক্রান্ত অভিযোগটি চিফ প্রসিকিউটরকে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের বক্তব্য

আসামিপক্ষের অভিযোগের জবাব দেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম। তিনি আসামিপক্ষের আনা অভিযোগকে অসত্য বলে দাবি করেন।

মিজানুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসান কেক কেটেছেন—এমন কোনো বক্তব্য চিফ প্রসিকিউটর সরাসরি দেননি। কেক কাটার ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে—এমন তথ্যই জানানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।

তিনি আরও বলেন, চিফ প্রসিকিউটরের কাছে কোনো অভিযোগ এলে সেটি তদন্ত করার আইনগত এখতিয়ার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো বেআইনি বা আদালত অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ কোনো ধরনের ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ করছে না বলেও স্পষ্ট করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।