রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আলোকচিত্রীদের আচরণেই অস্বস্তি, পোশাককে দায়ী করলেন না ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী

>> যুক্তরাষ্ট্রের হাতে কি সত্যিই মাত্র ১৪ দিনের তেল আছে?

>> হুতিদের শক্তি কোথায়, বিপুল ব্যয় করেও কেন পিছু হটেছিল যুক্তরাষ্ট্র

>> আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করছে জামায়াত: রাশেদ খাঁন

>> নবীজি (সা.)-এর দ্বিতীয় শাম সফর: খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

>> দেশে সারের সংকট নেই, অসাধু চক্রের কারণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত: কৃষিমন্ত্রী

>> বাসে উঠে ডাকাতের কবলে, ছুরি ধরে চাওয়া হলো ৫ লাখ টাকা

>> হিমাগারে আলু সংরক্ষণের ভাড়া কমল, আপত্তি কোল্ড স্টোরেজ মালিকদের

>> ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে, আশাবাদ ট্রাম্পের

>> ইয়াবা ঠেকাতে এআই ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা পুলিশের

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

দেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের কাজ কী হবে, জানালো সরকার


ডেস্ক রিপোর্ট ১৯ জুলাই ২০২৫, বিকাল ৫:২০
দেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের কাজ কী হবে, জানালো সরকার
ছবি:সংগৃহীত

বাংলাদেশ সরকার এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর)-এর মধ্যে মানবাধিকার মিশন স্থাপনসংক্রান্ত তিন বছরের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে সহায়তা দেওয়া এই মিশনের লক্ষ্য বলে জানিয়েছে সরকার।

শনিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি সংগঠনগুলোকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়াই হবে মানবাধিকার মিশনের মূল উদ্দেশ্য।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা পালনে বাংলাদেশকে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। আর সেজন্য দক্ষতা, আইনগত সহায়তা এবং প্রতিষ্ঠানগত সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে মিশন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষাপটে জবাবদিহি ও সংস্কার প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক অঙ্গীকার হিসেবেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমরা জানি, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশে কিছু গোষ্ঠী উদ্বেগ জানিয়েছে। কারণ, বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সংস্কৃতি ও দৃঢ় ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেকোনো আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বকে এই মূল্যবোধগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে বলে মত দিয়েছেন নাগরিকরাও।

সেই প্রেক্ষাপটে, ওএইচসিএইচআর-এর মিশন কেবল গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিরোধ ও ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে জোর দেবে। বিশেষত পূর্ববর্তী সরকারের আমলে সংঘটিত অপরাধের বিষয়ে। এই মিশন দেশের আইনি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর বাইরে কোনো সামাজিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আশা করি, মিশন সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রাখবে এবং স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করবে। জাতিসংঘ বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বাস্তবতাকে পুরোপুরি সম্মান জানিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।