বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মহানবী (সা.) ও ইসলাম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, যুবক ৫ দিনের রিমান্ডে

>> মেসিকে মিস করবেন মরিনিও, শেষ সময়টা উপভোগ করতে চান

>> ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,২৫২

>> বেড়াতে আসা তরুণ-তরুণীকে হেনস্তার অভিযোগ, দুই যুবককে নদীতে ডুব দেওয়ালেন স্থানীয়রা

>> ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ, বাড়ল ক্রিকেটারদের আয়

>> চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া শিশুকে হাসপাতালে নিলেন মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি

>> গ্যারেজে বিলাসবহুল গাড়ির সংগ্রহ, বাস্তবে কেমন চালক ছিলেন মহানায়ক উত্তমকুমার

>> পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ধ্বংস প্রায় ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল

>> ফিতরাতভিত্তিক ব্যাখ্যাতত্ত্ব: হাকিকত বোঝার পথে মানুষের পাঠ

>> ‘আব্বু, দোয়া করো’ বলে আন্দোলনে গিয়েছিলেন রাসেল, তিন দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু

আপনি পড়ছেন : খেলা

ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ, বাড়ল ক্রিকেটারদের আয়


Rabeya ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:২৫



ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ, বাড়ল ক্রিকেটারদের আয়


ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন সংস্করণে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণি, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—সব সংস্করণেই ম্যাচ ফি আগের তুলনায় দ্বিগুণ করা হয়েছে।

মিরপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এ ঘোষণা দেন।

অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত মে মাসে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছিলেন তামিম। এবার ছয় মাসের ব্যবধানে সেটি আরও বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। তবে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট এই সিদ্ধান্তের আওতায় থাকছে না।

বিসিবির আয়োজিত জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে সংস্করণে এত দিন একজন ক্রিকেটার ম্যাচপ্রতি ৫০ হাজার টাকা পেতেন। নতুন সিদ্ধান্তে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ টাকা।

এদিকে টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ ফি ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা।

এর আগে বিসিবি জানিয়েছিল, আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়ে এমনভাবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন করতে চায় না তারা। তবে বিপিএল না হলে ক্রিকেটারদের আয়ও কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

এই পরিস্থিতিতে গত পরশু ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় লিগ ও বিপিএলের ম্যাচ ফি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ ফি বৃদ্ধির ঘোষণা দিল বিসিবি।

ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভালো হলে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তামিম ইকবাল। তিনি বলেন, দুই বছর পর বিষয়টি আবার পর্যালোচনা করা হবে। বিসিবির আর্থিক অবস্থার উন্নতি ও আয় বাড়লে তখন ম্যাচ ফি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

তামিমের দাবি, নতুন কাঠামো অনুযায়ী একজন ক্রিকেটার বছরে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। তবে এর পাশাপাশি ক্রিকেটারদের পেশাদারত্বের বিষয়েও কোনো ছাড় দিতে চান না তিনি।

বিসিবি সভাপতি বলেন, বোর্ডের পক্ষ থেকে যেসব প্রত্যাশা রয়েছে, সেগুলোও ক্রিকেটারদের পূরণ করতে হবে। বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফিটনেস ও পেশাদারত্বের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে থাকবে বোর্ড। ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোনো ধরনের অনুরোধ বিবেচনা করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।