কক্সবাজারের টেকনাফে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা ১৭ যুবককে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লম্বরী এলাকা থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি জানায়, একটি ঘরের কক্ষে ওই যুবকদের আটকে রেখে বাইরে থেকে দরজায় তালা দেওয়া হয়েছিল। ঘরের বাইরে কয়েকজন পাহারায় ছিলেন। উদ্ধার হওয়া যুবকদের গভীর রাতে ট্রলারে করে সাগরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পরে তাঁদের বড় জাহাজে তুলে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের উপকূল হয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কক্ষটির তালা ভেঙে ১৭ যুবককে উদ্ধার করে এসআরবি।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন জাফর আলম, নুরুল হুদা, শাহিন শাহরিয়ার, মো. বেলাল, রফিকুল ইসলাম, সাফায়েত হোসেন, মামুনুর রশিদ, তাফসির, আশরাফ হোসেন, মো. বাবুল, আনসার উদ্দিন, নুরুল আফসার, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. জোবাইর, সাইফুল ইসলাম, মো. জুবায়ের ও নুর মোস্তফা। তাঁদের বাড়ি কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলা ও বান্দরবানের লামায়।
এসআরবির দাবি, বিদেশে ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের টেকনাফে আনা হয়েছিল। পরে একটি ঘরে আটকে রেখে তাঁদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়।
এসআরবি-১৫-এর সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) আ ম ফারুক জানান, মো. ইব্রাহিম নামের এক ব্যক্তির ঘরে যুবকদের আটকে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার করার পর আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য তাঁদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কথিত পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। তাঁদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাচার প্রতিরোধে সাগর উপকূলে নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।