চট্টগ্রামের পেকুয়ায় নৌযানে ওঠার সময় কুতুবদিয়া চ্যানেলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া শামীমের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
নৌযানটির চালক আবু ছালেক জানান, স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নৌযানে উঠছিলেন শামীম। এ সময় পা পিছলে তিনি কুতুবদিয়া চ্যানেলের পানিতে পড়ে যান। পরে প্রবল স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।
ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যা থেকে শামীমকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। রাত ১০টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর রোববার সকালে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরেকটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পেকুয়া স্টেশনের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, ডুবুরি দল পানিতে নামার প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যেই শামীমের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তিনি যে স্থান থেকে পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন, তার কাছাকাছি জায়গা থেকেই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
শামীমের শ্বশুর শাহ আলম জানান, তাঁর মেয়ে করিমা বেগম চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। প্রায় এক বছর আগে ভোলার বাসিন্দা শামীমের সঙ্গে করিমার বিয়ে হয়। শনিবার স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবারের মতো বাবার বাড়িতে যাচ্ছিলেন করিমা। পথেই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মগনামা ঘাট অতিক্রমের সময় কুতুবদিয়া চ্যানেলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া শামীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।