সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ, বিএনপি নেতার বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন

>> রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা: আয়াসসহ ৪ জনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

>> আলমডাঙ্গায় নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ, জরিমানা ১৩ হাজার টাকা

>> জুয়েল হত্যাচেষ্টা মামলা: সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে ফের গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

>> নভেম্বরের শেষ দিকে রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আশা

>> মোহাম্মদপুরে অটোরিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি

>> সরকারি চাকরিতে থেকেও এনসিপির কমিটিতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা!

>> দিল্লিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ, আটক মমতা-কেজরিওয়ালসহ একাধিক নেতা

>> সিরাজগঞ্জে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক

>> আইফোনের সূত্র ধরে তাজমিন হত্যা মামলার তদন্ত, গ্রেপ্তার সিএনজিচালক

আপনি পড়ছেন : চাঁদপুর

স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনের জিম্মায় দিল পুলিশ


Rabeya ৩০ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৪:২৮



স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনের জিম্মায় দিল পুলিশ


চাঁদপুরে গ্রাহকদের বন্ধকি স্বর্ণালংকার ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কারাগারে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে স্বজনদের জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ না পাওয়ায় পিন্টু দাসের বাবা সুনীল দাসের জিম্মায় তাঁদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে সাতজন গ্রাহকের স্বর্ণালংকার ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আত্মসাৎ করা স্বর্ণালংকার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পিন্টু দাসের স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে আত্মসাতের ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই তাঁদের স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

চাঁদপুর শহরের আখন্দ মার্কেটের এস কে জুয়েলার্সের মালিক পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের বন্ধকি স্বর্ণালংকার ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী সাতজন জানান, বিভিন্ন সময়ে তাঁরা অর্থের প্রয়োজন মেটাতে সোনার চেইন, কানের দুল, লকেটসহ বিভিন্ন অলংকার তাঁর দোকানে বন্ধক রেখেছিলেন।

পরবর্তী সময়ে ধার করা টাকা পরিশোধ করে বন্ধক রাখা স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে পিন্টু দাস নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। একপর্যায়ে গত ১৯ আগস্ট রাতে তিনি বাসা ও দোকানে তালা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চলে যান।

এরপর ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ এবং বাসার মালিকের করা সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৮ আগস্ট ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে স্বর্ণালংকার ও ২৫ লাখ টাকার বেশি আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানানো হয়।

পরে মো. রাসেল খান নামের এক ভুক্তভোগী চাঁদপুর সদর মডেল থানায় প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলায় পিন্টু দাসকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আত্মসাৎ করা স্বর্ণালংকার ও অর্থ উদ্ধারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।