শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২৬
১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাড্ডায় হামলা–মিষ্টির পদত্যাগ: বিএনপির কঠোরতা কতটা কার্যকর হবে?

>> রাড্ডার ঘটনায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ চাইলেন জামায়াত আমির

>> রাড্ডা ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে সরকার, দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা

>> ‘মা নেই, এখন আপনারাই আমাকে দেখে রাখবেন’—ফুলগাজীতে তারেক রহমান

>> রাউজানে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির অভিযোগ, রাতভর অভিযানে গ্রেপ্তার ১

>> শরীয়তপুর আদালত চত্বরে তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি

>> রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: পদত্যাগ করলেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

>> অনশনের পর মধ্যরাতে ময়মনসিংহে ২০ জনের নিয়োগপত্র, বঞ্চিত আরও দুজন

>> বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচির মধ্যে মাঠের তৎপরতা বাড়াচ্ছে বিএনপি

>> যুবদল নেতার মামলায় জামায়াতের ২৫ নেতা-কর্মী কারাগারে

আপনি পড়ছেন : ময়মনসিংহ

বাসে উঠে ডাকাতের কবলে, ছুরি ধরে চাওয়া হলো ৫ লাখ টাকা


Rabeya ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:১২



বাসে উঠে ডাকাতের কবলে, ছুরি ধরে চাওয়া হলো ৫ লাখ টাকা


ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নারায়ণগঞ্জে ফেরার পথে চলন্ত বাসে ডাকাত দলের কবলে পড়েন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি। বাসে ওঠার পর কয়েকজনকে দেখে তাঁর সন্দেহ হয়, তারা সাধারণ যাত্রী নয়। কিছুক্ষণ পর সেই সন্দেহই সত্যি হয়।

বাসে থাকা ডাকাতেরা প্রথমে অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাদের নামিয়ে দেয়। এরপর জাহাঙ্গীরকে বাসের ভেতরে আটকে রেখে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর বুকে ছুরি ঠেকিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে ডাকাতেরা।

জীবন বাঁচাতে জাহাঙ্গীর তাঁর ছোট ভাই ও সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ডাকাতদের দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর এটিএম কার্ডও নিয়ে নেয় তারা। তবে টাকা দেওয়ার পরও তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।

পরে আরও টাকা পাঠানোর জন্য জাহাঙ্গীর তাঁর ভাইকে ফোন করেন। এ সময় তিনি বলেন, বেঁচে ফিরতে পারলে টাকা ফেরত দেবেন। কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়ায় তাঁর ভাই শাহারুল আলম বিষয়টি র‍্যাবকে জানান।

এরপর বিকাশ লেনদেনের তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বাসটির অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব-১৪। রাতের দিকে ময়মনসিংহ নগরের দিঘারকান্দা এলাকায় বাসটির গতিরোধে অভিযান চালানো হয়।

র‍্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম তল্লাশিচৌকি অতিক্রম করে পালানোর চেষ্টা করেছিল বাসটি। পরে দ্বিতীয় তল্লাশিচৌকির সামনে বাসটি থামানো হলে ডাকাত দলের সদস্যরা বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। অভিযান চালিয়ে জাবেদ ইকবাল ওরফে বিহারি বাদলকে আটক করা হয়। বাস থেকে উদ্ধার করা হয় জাহাঙ্গীরকে এবং জব্দ করা হয় কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র।

জাহাঙ্গীর আলম একটি জীবনবিমা প্রতিষ্ঠানের নারায়ণগঞ্জ ইউনিটে দায়িত্বশীল পদে কর্মরত। তিনি জানান, অফিসের কাজে ভালুকায় গিয়ে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ ফেরার জন্য মহাসড়ক থেকে বাসটিতে উঠেছিলেন। কিছুক্ষণ পরই বুঝতে পারেন, বাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী আসলে ডাকাত দলের সদস্য।

র‍্যাব-১৪-এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলন্ত বাস ব্যবহার করে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করছিল বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। আটক জাবেদ ইকবালের বিরুদ্ধে এর আগে ১০টির বেশি ডাকাতির মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর কাছ থেকে সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের আটক করতে অভিযান চলছে।