শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর অনুমোদন

>> মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

>> ড. ইউনূস তিন-চার প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন: ফজলুর রহমান

>> পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

>> নির্বাচনে হারলে ফলাফল মেনে নেবেন তো ট্রাম্প?

>> আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

>> বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ, ২ লাখ কর্মসংস্থানের আশা

>> মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

>> সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি জোটের

>> ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনীতির হাতেখড়ি, বললেন আমজনতার তারেক

আপনি পড়ছেন : বিনোদন

সাগর–রুনি হত্যা: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার দাবি, নাম প্রকাশ হয়নি


৩০ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:১৭



সাগর–রুনি হত্যা: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার দাবি, নাম প্রকাশ হয়নি


সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, অন্য একটি মামলার তদন্তের সময় কল ডিটেইল রেকর্ড বা সিডিআর পর্যালোচনা করতে গিয়ে সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই ব্যক্তির যোগাযোগের একটি সূত্র পাওয়া যায়। বর্তমানে বিষয়টি যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি খুন হন। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনে বার্তা সম্পাদক এবং রুনি এটিএন বাংলায় জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সাগর–রুনি হত্যার তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে না। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে অন্য মামলার তদন্তের সময় পাওয়া কোনো তথ্য যদি সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে তা যাচাই শেষে প্রয়োজন হলে পিবিআইকে দেওয়া হতে পারে।

তিনি আরও জানান, পাওয়া তথ্য এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে তা শেয়ার করা হবে। আপাতত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

এদিকে সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আওতায় পড়বে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই মামলা ট্রাইব্যুনালের বিচারিক এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। কারণ এটি ব্যাপক বা পদ্ধতিগত অপরাধের অংশ নয়; বরং একটি পৃথক হত্যাকাণ্ড। তাই মামলাটির বিচার সংশ্লিষ্ট সাধারণ আদালতেই হওয়ার কথা।

নোট: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার বিষয়টি চিফ প্রসিকিউটরের দাবি ও তদন্তাধীন তথ্য—এটি এখনো আদালতে প্রমাণিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।