শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাজধানীতে হাঁড়ি-পাতিল হাতে জামায়াতের বিক্ষোভ, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ

>> জামায়াতের কাছে সহায়তা চেয়েও পাননি, শিবিরকর্মীকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

>> শামীম হত্যা মামলায় যুবদল নেতা ভদুর তিন দিনের রিমান্ড

>> শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে সরকারের ব্যর্থতায় ঝুঁকিতে শিল্প খাত: এবি পার্টি

>> জামিনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের সঙ্গে পরীমনির বাগ্‌বিতণ্ডা

>> মিরপুরে ২০টি ককটেলসহ মশাল লাঠি ও কেরোসিন উদ্ধার

>> কুর্মিটোলায় পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ, আহত কনস্টেবল

>> শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা, সরকারকে চাপে ফেলার অভিযোগ

>> কর্মস্থলে ফিরেছেন পোশাকশ্রমিকেরা, শিল্পাঞ্চলে মোতায়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

>> এক দিনের সফরে মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, খুলনায়ও রয়েছে কর্মসূচি

আপনি পড়ছেন : কুষ্টিয়া

কৃষক লীগ নেতাকে ছাড়াতে থানায় তদবিরের অভিযোগ, বিএনপি-জামায়াতের আটজন আটক


Rabeya ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:৫৮



কৃষক লীগ নেতাকে ছাড়াতে থানায় তদবিরের অভিযোগ, বিএনপি-জামায়াতের আটজন আটক


কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় নাশকতার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ কৃষক লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় তদবিরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতের আট নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে। পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়ার পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

গ্রেপ্তার কৃষক লীগ নেতার নাম হাফিজুর রহমান। তিনি চিথলিয়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি। শুক্রবার রাত দুইটার দিকে চিথলিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর থানায় সম্প্রতি নাশকতার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাঁর গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে একই সময় চিথলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি থানায় যান। পুলিশের দাবি, তাঁরা হাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ ও চাপ দিতে থাকেন।

তদবির করতে থানায় যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন চিথলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলাম, জামায়াতের সমর্থক মারুফ, বাশার, মফিজুল প্রামাণিক, জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাদল প্রামাণিক। এ ছাড়া বিএনপির কর্মী মেহেরুল ইসলাম এবং একই ইউনিয়নের বিএনপির সমর্থক শহীদুল ইসলামও সেখানে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমানকে ছাড়ার জন্য নিষেধ করার পরও ওই ব্যক্তিরা বারবার অনুরোধ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁদেরও আটক করা হয়।

ওসি জানান, পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে মুচলেকা নেওয়া হয়। এরপর উভয় পক্ষের নেতাদের জিম্মায় আটজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে হাফিজুর রহমানকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।