শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাজধানীতে হাঁড়ি-পাতিল হাতে জামায়াতের বিক্ষোভ, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ

>> জামায়াতের কাছে সহায়তা চেয়েও পাননি, শিবিরকর্মীকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

>> শামীম হত্যা মামলায় যুবদল নেতা ভদুর তিন দিনের রিমান্ড

>> শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে সরকারের ব্যর্থতায় ঝুঁকিতে শিল্প খাত: এবি পার্টি

>> জামিনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের সঙ্গে পরীমনির বাগ্‌বিতণ্ডা

>> মিরপুরে ২০টি ককটেলসহ মশাল লাঠি ও কেরোসিন উদ্ধার

>> কুর্মিটোলায় পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ, আহত কনস্টেবল

>> শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা, সরকারকে চাপে ফেলার অভিযোগ

>> কর্মস্থলে ফিরেছেন পোশাকশ্রমিকেরা, শিল্পাঞ্চলে মোতায়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

>> এক দিনের সফরে মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, খুলনায়ও রয়েছে কর্মসূচি

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

মুক্তি পেলেন নেহা, অভিজিৎ দীপকের অবস্থান জানতে চায় সিজেপি


Sifat Islam Sohag ১৭ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৪৩



মুক্তি পেলেন নেহা, অভিজিৎ দীপকের অবস্থান জানতে চায় সিজেপি


ভারতের দিল্লিতে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) নেত্রী নেহা বোরা এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করে পুলিশ। পরে নেহা বোরাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও অভিজিৎ দীপকের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাঁর দল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লির ঐতিহাসিক কনট প্লেস এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে তাঁদের আটক করা হয়। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে অভিজিৎ দীপক তখনো পুলিশি হেফাজতে ছিলেন।

পুলিশের সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শান্তি বজায় রাখার যুক্তিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় অভিজিৎকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার তাঁকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ ধারায় আটকের প্রক্রিয়া শেষে মুক্তি পান নেহা বোরা।

অভিজিৎ দীপকের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য না পাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে সিজেপি। দলটির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে অভিযোগ করেন, অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার কথা জানানো হলেও তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে, তা তাঁর পরিবার ও আইনজীবীদের জানানো হয়নি। এমনকি আইনজীবীরাও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।

মুক্তি পাওয়ার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেহা বোরা। তাঁর অভিযোগ, সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই প্রতিবাদকারীদের দীর্ঘ সময় আটকে রেখে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।

নেহা বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থানায় আটকে রাখার ঘটনা ঘটছে। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকেসহ আটক অন্যদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান নেহা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভোটের অধিকার ও সরকারের জবাবদিহি চাওয়া কি অপরাধ? তাঁর মতে, সাধারণ নাগরিকদের সারা রাত থানায় আটকে রাখার পেছনে যৌক্তিক কারণ থাকা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার আটকের পর থেকেই দুই নেতার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। আইসার দাবি, নেহা বোরাকে দিল্লির মঙ্গোলপুরীতে অ্যান্টি-নারকোটিকস টাস্ক ফোর্সের একটি কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়েছিল এবং তাঁকে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।