শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

>> শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের একটি অংশ হত্যা করেছিল: ত্রাণমন্ত্রী

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

>> গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর

>> বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন ডগ স্কোয়াড

>> ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

>> জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী

>> ইরানে ‘দখলদার’ হিসেবে থাকার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের দাবিও

>> চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

নেপালের বন্যার ভিডিও বলে ছড়ানো ফুটেজ আসলে অন্য দেশের, পুরোনোও


Rabeya ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১১:৫১



নেপালের বন্যার ভিডিও বলে ছড়ানো ফুটেজ আসলে অন্য দেশের, পুরোনোও


নেপালের সাম্প্রতিক বন্যার সঙ্গে মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া এসব ফুটেজের কোনোটিই নেপালের সাম্প্রতিক বন্যার দৃশ্য নয়। বরং ভিডিওগুলোর কিছু অন্য দেশের এবং পুরোনো ঘটনার।

এর মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পাহাড়ঘেরা একটি সড়কের পাশে কয়েকজন শিক্ষার্থী কুরআন তিলাওয়াত করছেন। আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও দেখা যায়। পাশাপাশি একটি পাহাড়ি ছড়ার কাছে উদ্ধারকর্মীদের কার্যক্রম চালাতে দেখা গেছে।

গত ২৬ আগস্ট নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে দাবি করা হয়, নেপালের বন্যাকবলিত এলাকায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা গিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করছেন।

কিছু পোস্টে আরও দাবি করা হয়, বন্যাকে আল্লাহর শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করে শহরকে সেই আজাব থেকে রক্ষার জন্য শিক্ষার্থীরা কুরআন পাঠ করছেন।

তবে ভিডিওটির দৃশ্য, উদ্ধারকর্মীদের পোশাকসহ বিভিন্ন উপাদান বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এটি নেপালের নয়। এমনকি ভিডিওতে থাকা উদ্ধারকারী দলের পোশাকেও অন্য একটি দেশের নামের উল্লেখ রয়েছে। ফলে এটি নেপালের সাম্প্রতিক বন্যার দৃশ্য—এমন দাবির ভিত্তি পাওয়া যায়নি।

শুধু এই একটি ভিডিও নয়, একই দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও অন্তত দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। যাচাইয়ে সেগুলোকেও নেপালের সাম্প্রতিক বন্যার সময় ধারণ করা ফুটেজ হিসেবে পাওয়া যায়নি।

একটি ভিডিওর ক্ষেত্রে ৫০টিরও বেশি ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টগুলোর ভাষায় সামান্য পার্থক্য থাকলেও মূল দাবি প্রায় একই—নেপালের বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের কুরআন তিলাওয়াতের দৃশ্য দেখানো হচ্ছে।

তবে যাচাইয়ের তথ্য বলছে, এসব ভিডিওকে নেপালের সাম্প্রতিক বন্যার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর। পুরোনো বা অন্য দেশের ভিডিওকে নতুন ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।