বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> সার বিক্রয়কেন্দ্রের তালা ভাঙার চেষ্টা, বিএনপি নেতাকে শোকজ

>> বেশি সার সরবরাহের দাবি, তবু বিভিন্ন এলাকায় সংকটের অভিযোগ

>> বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত, তিন কিশোর আটক

>> সাদা চুল কালো করে ট্রেনে পালানোর চেষ্টা, আখাউড়ায় ধরা পড়লেন আসামি

>> বেশির ভাগ অপরাধের পেছনে মাদক-জুয়া: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> বিএনপি নেতার গোয়াল থেকে চুরি হওয়া গরু উদ্ধার, শোকজ

>> কেরানীগঞ্জে সেলুনে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা, আটক ২

>> আদালত অবমাননার অভিযোগে দুই আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ

>> হেলমেট কিনছেন মান যাচাই করে? আমদানির সাড়ে ২৪ শতাংশ নিরাপত্তা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ

>> গুলশান থানার ওসি প্রত্যাহার

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ: ৭০০-এর বেশি মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক অটোয়ার


Rabeya ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:২৪



যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ: ৭০০-এর বেশি মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক অটোয়ার


যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের জবাবে এবার ৭০০টির বেশি মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছে কানাডা।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার বা প্রায় ১৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র কানাডীয় পণ্যের ওপর যে হারে শুল্ক বসাবে, কানাডাও ‘ডলার-ফর-ডলার’ ভিত্তিতে একই হারে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে।

সম্প্রতি দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডীয় পণ্যের ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর পরই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল অটোয়া।

এর আগে কানাডা থেকে আমদানি করা গাড়ি, ট্রাক, মোটর পার্টস ও ইস্পাতের ওপরও নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এতে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ট্রাম্প কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে অভিযোগ করলেও কানাডার সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে কানাডার প্রায় ৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন কানাডীয় ডলারের উদ্বৃত্ত রয়েছে।

এই বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাব মার্কিন ভোক্তাদের ওপরও পড়তে পারে। কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি গাড়ির অন্যতম বড় বাজার হওয়ায় মার্কিন গাড়ি নির্মাতারা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়তে পারে।

অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিয়েল ইনস্টিটিউট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শুল্কের বড় অংশের আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত মার্কিন আমদানিকারক ও ভোক্তাদের ওপর পড়তে পারে।