বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

>> বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ, ২ লাখ কর্মসংস্থানের আশা

>> মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

>> সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি জোটের

>> ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনীতির হাতেখড়ি, বললেন আমজনতার তারেক

>> একরামুল হক হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

>> গাজীপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগ, অবসরের আগে এডি নুরুল হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক

>> বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা, সব পদ থেকে অব্যাহতি

>> চোরাই সিএনজি বাণিজ্যে বিপুল সম্পদের অভিযোগ, মগবাজারের নান্টুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

>> সরিষাবাড়ীতে গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম, আহত আরও একজন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ: ৭০০-এর বেশি মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক অটোয়ার


Rabeya ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:২৪



যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ: ৭০০-এর বেশি মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক অটোয়ার


যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের জবাবে এবার ৭০০টির বেশি মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছে কানাডা।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার বা প্রায় ১৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র কানাডীয় পণ্যের ওপর যে হারে শুল্ক বসাবে, কানাডাও ‘ডলার-ফর-ডলার’ ভিত্তিতে একই হারে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে।

সম্প্রতি দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডীয় পণ্যের ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর পরই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল অটোয়া।

এর আগে কানাডা থেকে আমদানি করা গাড়ি, ট্রাক, মোটর পার্টস ও ইস্পাতের ওপরও নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এতে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ট্রাম্প কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে অভিযোগ করলেও কানাডার সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে কানাডার প্রায় ৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন কানাডীয় ডলারের উদ্বৃত্ত রয়েছে।

এই বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাব মার্কিন ভোক্তাদের ওপরও পড়তে পারে। কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি গাড়ির অন্যতম বড় বাজার হওয়ায় মার্কিন গাড়ি নির্মাতারা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়তে পারে।

অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিয়েল ইনস্টিটিউট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শুল্কের বড় অংশের আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত মার্কিন আমদানিকারক ও ভোক্তাদের ওপর পড়তে পারে।