মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২৬
৫ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে ছড়াচ্ছে পুরোনো ভিডিও ও ভুয়া তথ্য

>> পাঁচ বছরে বজ্রপাতে মৃত্যু ১ হাজার ৫৩০ জন, সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগ

>> ঘুমন্ত জামাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক শ্বশুর

>> ঢাকার দুই সিটিতে কাউন্সিলর পদে জামায়াতের ১১২ সম্ভাব্য প্রার্থী

>> সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপি চেয়েছে ঢাকা

>> নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ৩২

>> ঢাকা সামাজিক বনাঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন নিশাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, বদলি বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

>> দুর্গাপূজার ছুটিতে মেট্রোরেলের সময়সূচিতে পরিবর্তন

>> সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী

>> মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতাসহ আটক ১০, আদালতে ২ জন

আপনি পড়ছেন : আইন-আদালত

পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত


Sifat Islam Sohag ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:২৬
পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

অসদাচরণ ও অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁদের বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এস এম মেহেদী হাসান ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁকে বিভিন্ন ঠিকানা ও ই-মেইলের মাধ্যমে নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জবাবও দেননি।

পরে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে কর্মস্থলে অননুমোদিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরবর্তী সময়ে সরকারি কর্মকমিশনের পরামর্শ নেওয়া হলে কমিশন তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।

অন্যদিকে মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এ দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে দুই মাসের ছুটিতে ছিলেন। ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল তাঁর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি আর কাজে যোগ দেননি।

কর্তৃপক্ষ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় একাধিকবার নোটিশ পাঠায়। তবে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত করা যায়নি। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

তাঁর বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তদন্ত শেষে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তাঁকে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।

পরে সরকারি কর্মকমিশনের পরামর্শ নেওয়া হলে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়ার বিষয়ে কমিশন সম্মতি দেয়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে রহমত উল্লাহ চৌধুরীকেও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।