রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাজশাহী বিআরটিএতে দালাল সিন্ডিকেটের দাপট, ঘুষ ছাড়া মিলছে না সেবা!

>> নদী থেকে আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

>> ব্যালন ডি’অর ভোটে মেসির সেরা তিনে আলজেরিয়ান তরুণ ইব্রাহিম মাজা

>> শ্রমিক অসন্তোষে আশুলিয়ার ১১ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

>> ৯ গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবি করে মামলা, হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

>> ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরিতে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সন্দেহ

>> রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর অনুমোদন

>> মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

>> ড. ইউনূস তিন-চার প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন: ফজলুর রহমান

>> পুলিশের গাড়ির সামনেই যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

‘হাম-ডেঙ্গু দুটোতেই আক্রান্ত, ডাক্তার বলছে অবস্থা খারাপ’


Rabeya ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৪:১১



‘হাম-ডেঙ্গু দুটোতেই আক্রান্ত, ডাক্তার বলছে অবস্থা খারাপ’


রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে পাঁচ বছরের শিশু নাফিয়া। পাঁচ দিন ধরে জ্বরে ভোগার পর শনিবার রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নাফিয়ার বাবা নূর আলম জানান, তাঁর মেয়ে একই সঙ্গে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। পরীক্ষায় তার হৃদ্‌যন্ত্রেও ছিদ্র ধরা পড়েছে। চিকিৎসকেরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ দিচ্ছেন। তবে এখনো শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি।

নাফিয়ার মা মাহমুদা আক্তার বলেন, চিকিৎসক সকালে শিশুটিকে দেখে জানিয়েছেন, তার অবস্থা ভালো নয়।

রোববার সকালে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, নাফিয়ার মতো আরও অনেক শিশু জ্বর ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। বেড সংকট থাকায় কয়েকজন শিশুকে হাসপাতালের মেঝেতেও চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। অধিকাংশ শিশুর হাতেই ক্যানুলা লাগানো এবং স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে।

শিশু ওয়ার্ডে স্বজনদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা গেছে। কেউ ওষুধ আনতে ছুটছেন, কেউ পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে চিকিৎসকের অপেক্ষায় আছেন। আবার কেউ সন্তানের কপালে হাত রেখে জ্বর মাপছেন বা বাতাস করছেন।

ওয়ার্ডের আরেক রোগী নয় বছরের শারিনা এক সপ্তাহ ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। বৃহস্পতিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বাবা আশিকুর রহমান জানান, হাসপাতালে ভর্তির পর শারিনার প্লাটিলেট ৩৪ হাজারে নেমে গিয়েছিল। চিকিৎসকেরা ডোনার প্রস্তুত রাখতে বলেছিলেন। বর্তমানে তার অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও রক্তচাপ ওঠানামা করায় উদ্বেগে রয়েছেন তাঁরা।

অন্যদিকে ১১ বছরের আয়েশাও এক সপ্তাহ ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। তিন দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি সে। তার বাবা মো. সজীব জানান, চিকিৎসকেরা পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো বললেও মেয়ের শারীরিক অবস্থার পুরোপুরি উন্নতি হয়নি।

হাম ও ডেঙ্গুর মতো রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হাসপাতালটিতে রোগীর চাপও বেড়েছে। ফলে বেডের পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের স্বজনদের মধ্যেও বাড়ছে উদ্বেগ।