বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা, নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

>> সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ

>> মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

>> ট্রাকচালক হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ আসামির অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

>> হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে আদালতে ওঠানো নিয়ে পলকের আপত্তি

>> সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে নতুন কমিটি: রিজভী

>> নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দি যুবকের ঢামেকে মৃত্যু

>> ভারতে শেখ হাসিনার আইনি মর্যাদা কী, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

>> বিদ্যালয় থেকে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মেয়েধরা’ সন্দেহে নারীকে মারধর

>> যন্তর মন্তরের পথে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, পুলিশের বাধায় আটক বিরোধী নেতারা

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

জ্বালানির অভাবে চলে না জেনারেটর, বিদ্যুৎ গেলে হাতপাখাই ভরসা


Rabeya ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:১১



জ্বালানির অভাবে চলে না জেনারেটর, বিদ্যুৎ গেলে হাতপাখাই ভরসা


বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ চলে গেলে ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য ফ্যান চালানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি কেনার বরাদ্দ না থাকায় সেটি নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না। ফলে গরমে রোগী ও স্বজনদের হাতপাখার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ৫৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বিদ্যুৎ চলে গেলে ভ্যাপসা গরমে তাঁদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের কষ্ট বেশি হচ্ছে।

শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসাধীন আবদুস সামাদ নামের এক রোগীর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর সমস্যা আরও বেড়ে যায়। স্বামীকে স্বস্তি দিতে তাঁর স্ত্রী চম্পা বেগম দীর্ঘসময় হাতপাখা দিয়ে বাতাস করেন।

হাসপাতালের নার্স নাজনীন আক্তার জানান, বিদ্যুৎ চলে গেলে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুটি করে এনার্জি বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা আছে। তবে ফ্যান চালানোর ব্যবস্থা নেই।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, জরুরি বিভাগে আইপিএসের মাধ্যমে ফ্যান ও বাতি চালানো যায়। অপারেশন থিয়েটারের জন্য জেনারেটরও রয়েছে। তবে সেটি সাধারণত জরুরি প্রয়োজনেই চালু করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি কেনার জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। জ্বালানি সরবরাহ করা হলে ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যান চালানো সম্ভব হবে।