শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’—অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহার

>> শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি, ডাকসুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন

>> জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

>> হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আইসিসির আগস্টের মাসসেরা দিনুশা

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি

>> হুতিদের ঠেকাতে মিত্রদের কাছে সামরিক সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

>> শত বছরের পশ্চিম বাজার, হাট থেকে রেমিট্যান্সনির্ভর বাণিজ্যকেন্দ্র

>> চুক্তির মাধ্যমে চার বন্ধ পাটকল চালু করল আবুল খায়ের গ্রুপ

>> হ্যাটট্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলেন খালেদ, কেন্টের হয়ে অভিষেকে নিলেন ৮ উইকেট

>> রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতেও ১০০% পর্যন্ত শুল্কের ক্ষমতা, ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিল

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

জ্বালানির অভাবে চলে না জেনারেটর, বিদ্যুৎ গেলে হাতপাখাই ভরসা


Rabeya ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:১১



জ্বালানির অভাবে চলে না জেনারেটর, বিদ্যুৎ গেলে হাতপাখাই ভরসা


বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ চলে গেলে ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য ফ্যান চালানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি কেনার বরাদ্দ না থাকায় সেটি নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না। ফলে গরমে রোগী ও স্বজনদের হাতপাখার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ৫৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বিদ্যুৎ চলে গেলে ভ্যাপসা গরমে তাঁদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের কষ্ট বেশি হচ্ছে।

শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসাধীন আবদুস সামাদ নামের এক রোগীর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর সমস্যা আরও বেড়ে যায়। স্বামীকে স্বস্তি দিতে তাঁর স্ত্রী চম্পা বেগম দীর্ঘসময় হাতপাখা দিয়ে বাতাস করেন।

হাসপাতালের নার্স নাজনীন আক্তার জানান, বিদ্যুৎ চলে গেলে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুটি করে এনার্জি বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা আছে। তবে ফ্যান চালানোর ব্যবস্থা নেই

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, জরুরি বিভাগে আইপিএসের মাধ্যমে ফ্যান ও বাতি চালানো যায়। অপারেশন থিয়েটারের জন্য জেনারেটরও রয়েছে। তবে সেটি সাধারণত জরুরি প্রয়োজনেই চালু করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি কেনার জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। জ্বালানি সরবরাহ করা হলে ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যান চালানো সম্ভব হবে।