বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাজউকের পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

>> রবার্তো কার্লোস ইসলাম গ্রহণ করেছেন? তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের দাবি

>> কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

>> দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির পর স্বামীর জানাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

>> ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

>> শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক আটক

>> জামায়াত কখনোই মেইনস্ট্রিম রাজনৈতিক দল হতে পারবে না: নুরুল হক নুর

>> ইরান ইস্যুতে ক্ষোভ, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া সীমিত করার নির্দেশ ট্রাম্পের

>> নতুন সরকারের ছয় মাস: নাগরিকদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব

>> ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার বিল নিয়ে প্রশ্ন

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

আদালতে কলিমউল্লাহর দাবি: ‘আবু সাঈদ হত্যার প্রথম প্রতিবাদ আমিই করেছি’


৩০ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:২৭



আদালতে কলিমউল্লাহর দাবি: ‘আবু সাঈদ হত্যার প্রথম প্রতিবাদ আমিই করেছি’

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শুনানির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে কাঠগড়ায় বক্তব্য দেন কলিমউল্লাহ। তিনি দাবি করেন, আবু সাঈদের হত্যার ঘটনায় তিনিই প্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এবং এ বিষয়ে প্রমাণও রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতা নয়, বরং তিনি আন্দোলনের প্রতি সমর্থনই প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় তাঁর দায়িত্ব ছিল নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ। সেই সময় তিনি যা প্রত্যক্ষ করেছেন, সে অনুযায়ীই মন্তব্য করেছিলেন। দায়িত্বের বাইরের ঘটনাগুলো সম্পর্কে তাঁর জানার সুযোগ ছিল না বলেও আদালতকে জানান তিনি।

শুনানিতে বিচারক এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে কলিমউল্লাহ বলেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁর একাধিক লেখা ও বিশ্লেষণ রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করে, তদন্তে এই মামলার ঘটনায় কলিমউল্লাহর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, কলিমউল্লাহ একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় পর নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি আরও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট মামলায় জামিন পাওয়ার পরপরই আবার গ্রেপ্তার দেখানোর উদ্যোগ মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

মামলার নথি অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় উত্তরা পশ্চিম থানাধীন রবীন্দ্র সরণি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ এনে মুস্তাঈন বিল্লাহ সাব্বির হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তা পরে ওই মামলায় কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন।