মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> গলাচিপায় বিএনপির মিছিলে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নামে স্লোগান, তদন্ত কমিটি

>> মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ, হয়রানি ও চাঁদাবাজির দাবি

>> তানজিন তিশার জামিনের মেয়াদ বাড়ল, আদালত থেকে বের হয়ে যা বললেন

>> বাকলিয়ায় সংঘর্ষের নেপথ্যে মাদক ও আধিপত্যের দ্বন্দ্ব

>> ট্র্যাকিংয়ে গিয়ে পথ হারাচ্ছেন পর্যটকেরা, কাপ্তাইয়ের সীতাপাহাড়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

>> ভাঙা কক্ষেই টিকা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা রাড্ডা সেন্টারে

>> যখন সময় হবে, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

>> ইটভাটায় ডেকে ছাত্রলীগ নেতার হাত-পায়ের রগ কাটার অভিযোগ, ৪ বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা

>> নতুন গণভোট নিয়ে সরকারের কাছে তিন প্রশ্ন জামায়াত নেতা আযাদের

>> রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুল আবার রিমান্ডে

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

আদালতে কলিমউল্লাহর দাবি: ‘আবু সাঈদ হত্যার প্রথম প্রতিবাদ আমিই করেছি’


৩০ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:২৭



আদালতে কলিমউল্লাহর দাবি: ‘আবু সাঈদ হত্যার প্রথম প্রতিবাদ আমিই করেছি’

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শুনানির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে কাঠগড়ায় বক্তব্য দেন কলিমউল্লাহ। তিনি দাবি করেন, আবু সাঈদের হত্যার ঘটনায় তিনিই প্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এবং এ বিষয়ে প্রমাণও রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতা নয়, বরং তিনি আন্দোলনের প্রতি সমর্থনই প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় তাঁর দায়িত্ব ছিল নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ। সেই সময় তিনি যা প্রত্যক্ষ করেছেন, সে অনুযায়ীই মন্তব্য করেছিলেন। দায়িত্বের বাইরের ঘটনাগুলো সম্পর্কে তাঁর জানার সুযোগ ছিল না বলেও আদালতকে জানান তিনি।

শুনানিতে বিচারক এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে কলিমউল্লাহ বলেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁর একাধিক লেখা ও বিশ্লেষণ রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করে, তদন্তে এই মামলার ঘটনায় কলিমউল্লাহর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, কলিমউল্লাহ একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় পর নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি আরও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট মামলায় জামিন পাওয়ার পরপরই আবার গ্রেপ্তার দেখানোর উদ্যোগ মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

মামলার নথি অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় উত্তরা পশ্চিম থানাধীন রবীন্দ্র সরণি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ এনে মুস্তাঈন বিল্লাহ সাব্বির হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তা পরে ওই মামলায় কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন।