শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
৯ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাঙামাটি বন বিভাগে বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

>> ইজতেমা মাঠে সাদপন্থিদের ইজতেমা আয়োজন বন্ধের দাবি শুরায়ি নেজামের

>> মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতন রোধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর

>> এনসিপির নতুন কমিটিতে আলেমের সংখ্যা কমায় ক্ষুব্ধ আশরাফ মাহদি

>> মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে বৈঠা দিয়ে হামলা, পুলিশসহ আহত ২

>> পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ আযাদের

>> বরগুনার বামনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ১

>> শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় আটক ২

>> সাংবাদিক-পুলিশকে মারধরের হুমকির অভিযোগে ছাত্রদল কর্মী আটক

>> এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ পুনর্গঠন, যুক্ত হলেন নতুন মুখ

আপনি পড়ছেন : রাঙামাটি

রাঙামাটি বন বিভাগে বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি


Sifat Islam Sohag ২৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:৪০



রাঙামাটি বন বিভাগে বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি


রাঙামাটি প্রতিনিধি: রাঙামাটি বন বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য, ঘুষ লেনদেন, ভুয়া জোত পারমিট অনুমোদন এবং অবৈধ কাঠ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনকারীরা।

অভিযোগে বন সংরক্ষক (সিএফ) আবদুল আউয়াল সরকার, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) হক মাহমুদ মোর্শেদ এবং ডেপুটি রেঞ্জার বাবুরাম চাকমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীদের দাবি, ডেপুটি রেঞ্জার বাবুরাম চাকমার সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে বন বিভাগের বিভিন্ন পদে বদলি, জোত পারমিট অনুমোদন এবং বিভিন্ন রেঞ্জ ও চেকস্টেশনে অনিয়মের ঘটনা ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাবুরাম চাকমার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির বিধি লঙ্ঘন করে অবৈধ কাঠ ব্যবসা পরিচালনা, ভুয়া জোত পারমিট তৈরি এবং বনাঞ্চলের ক্ষতিসাধনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁর নামে ও নিকটাত্মীয়দের নামে বিপুল পরিমাণ জমি, একাধিক ভবন এবং বাণিজ্যিক যানবাহন থাকার দাবিও করা হয়েছে। তবে এসব সম্পদ ও ব্যবসার মালিকানা, বৈধতা কিংবা আয়ের উৎস সম্পর্কে কোনো যাচাই করা নথি পাওয়া যায়নি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বাবুরাম চাকমা সম্প্রতি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের মেরুং রেঞ্জ থেকে অশ্রেণিভুক্ত বনাঞ্চল বনায়ন বিভাগ, রাঙামাটিতে বদলি হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বন সংরক্ষক আবদুল আউয়াল সরকারকে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

একই সঙ্গে কুতুকছড়ি রেঞ্জে রেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হক মাহমুদ মোর্শেদকে ২৫ লাখ টাকা উৎকোচ দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। তবে অভিযোগের সমর্থনে কোনো আর্থিক লেনদেনের নথি বা আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফল উল্লেখ করা হয়নি।

অভিযোগকারীদের মতে, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হলে বন বিভাগের প্রশাসনিক অনিয়ম, বদলি প্রক্রিয়া এবং বনসম্পদ ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের দুর্নীতি রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হতে পারে।

তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের উৎস যাচাই এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের সীমাবদ্ধতা: অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এবং অভিযোগের সমর্থনে যাচাইযোগ্য নথি পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও পূর্ণাঙ্গ করা সম্ভব হবে।