বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬
৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> শেখ হাসিনা যা করেছেন, পারলে তোমরাও করে দেখাও

>> সংসদে বসে শেখ হাসিনার বিরোধিতা করলে চলবে না—আতাহার হোসেন ফরাজী

>> জামিন হওয়ার পরে ভূয়া মামলায় নড়াইল-১ আসনের এমপিকে আবারও গ্রেফতার

>> ছয় মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৫৬, মব সহিংসতায় প্রাণ গেছে ১৩৩ জনের

>> এআই ব্যবহারে ব্যবসায়িক গোপন তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি বাড়ছে, সতর্ক করলেন সত্য নাদেলা

>> হাসিনা আবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন

>> তারেক রহমানের গাড়ি বহরে হামলা

>> শেখ হাসিনার বি'রুদ্ধে অ'বৈধ মা'ম'লা হয়েছে—দাবি আইনজীবীদের

>> মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নাকচ করলেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ

>> এবার ভিন্ন স্বাদের চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা জয়া আহসানের

LIVE

শেখ হাসিনা ফিরলে ১ মাসেও ঢাকা ফাঁকা হবে না! If Hasina returns, Dhaka won't empty out even in a month
আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নাকচ করলেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ


Sheikh Mojahidur Rahman ১৫ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:২৮
মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নাকচ করলেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং গৃহবন্দি থাকার অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর কার্যালয়ের দাবি, এসব তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হয়েছে এবং এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আহমাদিনেজাদের দপ্তর জানায়, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশে বিভেদ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট গৃহবন্দি রয়েছেন—এমন দাবিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর কার্যালয়ের মতে, এসব অভিযোগকে বিশ্বাসযোগ্য দেখানোর জন্য কল্পিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

দপ্তরের ভাষ্য, প্রকাশিত প্রতিবেদনের সব অভিযোগই তারা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছে এবং এগুলোকে সত্য বলে গ্রহণ করার কোনো কারণ নেই।

প্রতিবেদনে কী দাবি করা হয়েছিল?

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ আহমাদিনেজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল। সেখানে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে ইরানের সম্ভাব্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের অংশ হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের পর সরকার পরিবর্তনের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, বিদেশ সফরের সময় আহমাদিনেজাদের সঙ্গে একাধিকবার ইসরাইলি এজেন্টদের বৈঠক হয় এবং তাঁর কিছু সফর ও ব্যয়ের পেছনেও গোপন সহায়তা ছিল।

আরও দাবি করা হয়, ইরান-ইসরাইল উত্তেজনার এক পর্যায়ে তাঁকে তেহরান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যাতে পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁকে সামনে আনা যায়।

প্রতিবেদনে এমনও বলা হয় যে, একটি হামলার পর তাঁকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং সেই গাড়িটি মোসাদের সদস্যরা পরিচালনা করছিলেন। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন বা আনুষ্ঠানিক প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সম্প্রতি দেশটির সাম্প্রতিক সংঘাতের পর তিনি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে উপস্থিত হয়ে এক রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নেন।