শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬
২১ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> গাড়ির ইঞ্জিনে লুকিয়ে ১২২ কিলোমিটার পাড়ি, অক্ষত উদ্ধার বিড়ালছানা

>> ঘরে রক্তাক্ত স্ত্রীর মরদেহ, ফ্যানের হুকে ঝুলছিল স্বামী

>> ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে মস্কো-কিয়েভে যাচ্ছেন কুশনার ও উইটকফ

>> মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার সংকুচিত, নতুন গন্তব্যে বাড়ছে প্রতারণার ঝুঁকি

>> বলিভিয়ায় সামরিক ব্যারাকে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১০; আহত ৬০-এর বেশি

>> অনিরাপদ পানি ও দুর্বল স্যানিটেশনে চট্টগ্রামে বাড়ছে ডায়রিয়া-কলেরার ঝুঁকি

>> শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে আগে মানুষের মন ও চিন্তাধারায় পরিবর্তন আনতে হবে: মাহফুজ খন্দকার

>> সাড়ে পাঁচ মাস পর হুইলচেয়ারে সংসদে মির্জা আব্বাস, দিলেন আবেগঘন বক্তব্য

>> মহানবী (সা.) ও ইসলাম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, যুবক ৫ দিনের রিমান্ডে

>> মেসিকে মিস করবেন মরিনিও, শেষ সময়টা উপভোগ করতে চান

আপনি পড়ছেন : চট্টগ্রাম

অনিরাপদ পানি ও দুর্বল স্যানিটেশনে চট্টগ্রামে বাড়ছে ডায়রিয়া-কলেরার ঝুঁকি


Rabeya ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:২৩



অনিরাপদ পানি ও দুর্বল স্যানিটেশনে চট্টগ্রামে বাড়ছে ডায়রিয়া-কলেরার ঝুঁকি


চট্টগ্রামে অনিরাপদ পানি, পানির সংকট ও দুর্বল স্যানিটেশনব্যবস্থার কারণে ডায়রিয়া ও কলেরার ঝুঁকি বাড়ছে। সম্প্রতি নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার একটি কলোনিতে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাবের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

গত ১৭ জুলাই চন্দ্রনগরের ওই কলোনিতে হঠাৎ ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র দুই দিনের মধ্যে অন্তত ১৭ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। তাঁদের মধ্যে আবদুল মতিন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। আক্রান্তদের অধিকাংশই একই কলোনির বাসিন্দা ছিলেন।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, কলোনির পানি সরবরাহের ট্যাংকটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি। ট্যাংকের ভেতরে মৃত ইঁদুর ও তেলাপোকাও পাওয়া যায়। ঘটনার পর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা সেখানে গিয়ে পানির নমুনা পরীক্ষা করেন। তাঁদের প্রাথমিক ধারণা, অপরিষ্কার ট্যাংকের পানি থেকেই ডায়রিয়া ছড়িয়ে থাকতে পারে।

চট্টগ্রামে ডায়রিয়া ও কলেরার সঙ্গে অনিরাপদ পানির সম্পর্কের বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল থেকে ১৫ মে পর্যন্ত দেড় মাসে তীব্র ডায়রিয়ায় ৭ হাজার ৯৫৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। নগরের পাশাপাশি বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা ও চন্দনাইশ উপজেলাতেও তখন রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।

ওই প্রাদুর্ভাব নিয়ে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) গবেষণায় অনিরাপদ ও লবণাক্ত পানি, পানির সংকট, দুর্বল স্যানিটেশন এবং পানি বিশুদ্ধ না করার মতো বেশ কয়েকটি ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়। তবে এসবের কোনো একটিকে সরাসরি প্রাদুর্ভাবের কারণ হিসেবে প্রমাণ করা যায়নি।

‘চট্টগ্রামে ২০২৩ সালের কলেরা প্রাদুর্ভাবের মৌসুমি প্রবণতা, পরিবেশগত কারণ ও তা থেকে পাওয়া শিক্ষা’ শিরোনামের গবেষণাটি ২৫ জুলাই আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘হেলথ সায়েন্স রিপোর্টস’-এ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় আইইডিসিআর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ জন গবেষক যুক্ত ছিলেন।

গবেষক দলের সদস্য ইমামুল মুনতাসির বলেন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা না গেলে ডায়রিয়া ও কলেরার ঝুঁকি থেকেই যাবে। তাঁদের অনুসন্ধানে নলকূপ ও পুকুরের পানিতে দূষণের চিত্র পাওয়া গেছে। কিছু পুকুরে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি মিশে যাওয়ার ঘটনাও দেখা গেছে। অনেক মানুষ আবার পানি বিশুদ্ধ না করেই ব্যবহার করেন।

দেড় মাসে প্রায় আট হাজার রোগী

২০২৩ সালের মে মাসে চট্টগ্রামে তীব্র ডায়রিয়া বাড়ার বিষয়টি আইইডিসিআরকে জানানো হয়। পরদিনই সংস্থাটির একটি দল মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান শুরু করে। তবে রোগী বাড়ার প্রবণতা শুরু হয়েছিল এপ্রিল থেকেই।

প্রথম দিকে আনোয়ারা ও পটিয়ায় রোগী বাড়ে। পরে চট্টগ্রাম নগর, বোয়ালখালী ও চন্দনাইশেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

১ এপ্রিল থেকে ১৫ মে পর্যন্ত পটিয়ায় ১ হাজার ৫৯৬ জন, বোয়ালখালীতে ১ হাজার ৮৭ জন, আনোয়ারায় ১ হাজার ৩৯ জন এবং চন্দনাইশে ১ হাজার ৩৩ জন ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। একই সময়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার ৩৩৪ এবং বিআইটিআইডিতে ১ হাজার ৮৬৭ জন ভর্তি হন। সব মিলিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৭ হাজার ৯৫৬ জন।

গবেষকেরা ১৬৬ জন রোগীর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। তাঁদের ৭০ জন নগরের এবং ৯৬ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। সবচেয়ে বেশি, ৩৯ শতাংশ রোগীর বয়স ছিল ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। প্রত্যেকেরই পানির মতো পাতলা পায়খানা হয়েছিল এবং ৮৫ শতাংশ রোগীর বমিও ছিল।

২৩ জনের মলের নমুনা পরীক্ষা করে ছয়জনের শরীরে ভিব্রিও কলেরি বা কলেরার জীবাণু শনাক্ত হয়। অর্থাৎ ওই প্রাদুর্ভাবের সময় রোগীদের মধ্যে কলেরার জীবাণু থাকার পরীক্ষাগারভিত্তিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তবে কয়েক সপ্তাহ ধরে নগর ও একাধিক উপজেলায় রোগী বৃদ্ধির ধরন দেখে গবেষকেরা মনে করেন, একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে একবারে সংক্রমণ ছড়ানোর বদলে মানুষ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ উৎসের সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কোন রোগী কোন উৎস থেকে সংক্রমিত হয়েছেন, তা অবশ্য গবেষণায় নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত জেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৬০২ জন। শুধু আগস্টেই আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৮১ জন।

পানিতে মিলেছে দূষণের চিত্র

গবেষকেরা রোগীদের তথ্যের পাশাপাশি পানির উৎস ও স্যানিটেশন পরিস্থিতিও পরীক্ষা করেন। বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার তিনটি নলকূপ ও পাঁচটি পুকুর থেকে আটটি পানির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলো আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) পরিবেশ পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়।

তিনটি নলকূপের মধ্যে দুটির পানিতে বিপুল পরিমাণ কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। একটি নলকূপের প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে কলিফর্মের পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার। পাঁচটি পুকুরের সব কটিতেও কলিফর্ম শনাক্ত হয়। একটি পুকুরে প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে কলিফর্ম ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার।

মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে কিছু পুকুরে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি মিশে যাওয়ার চিত্রও পাওয়া যায়। একটি নলকূপ ও পাঁচটি পুকুরের পানিতে ভিব্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়াও শনাক্ত হয়। তবে পানিতে পাওয়া জীবাণুর ধরন সাধারণত মহামারি আকারে কলেরা ছড়ানোর জন্য দায়ী নয়।

অন্যদিকে রোগীদের নমুনায় মহামারি সৃষ্টিকারী ‘ও ১ ও গাওয়া’ ধরনের জীবাণু পাওয়া যায়। কিন্তু রোগী ও পানির নমুনায় পাওয়া জীবাণুর মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিত করতে জিনগত পরীক্ষা করা হয়নি। ফলে পশ্চিম গোমদণ্ডীর ওই পানিই রোগীদের সংক্রমণের উৎস ছিল—এমন সিদ্ধান্ত গবেষকেরা দেননি।

শৌচাগারের কাছেই নলকূপ

গবেষণায় দেখা যায়, পশ্চিম গোমদণ্ডীর যেসব নলকূপকে স্থানীয়রা গভীর নলকূপ হিসেবে উল্লেখ করতেন, সেগুলোর অনেকগুলোর গভীরতা ২৫০ ফুটের বেশি ছিল না। কিছু নলকূপ আবার শৌচাগারের কাছাকাছি স্থাপন করা হয়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরের পানি গোসল, কাপড় ধোয়া ও অন্যান্য গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার করতেন। কয়েকটি পুকুরের পানি দৃশ্যত নোংরা ছিল এবং কোথাও কোথাও শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি পুকুরে পড়ছিল।

উপজেলার ৯৬ জন রোগীর মধ্যে ৫৫ জন খাবার পানির প্রধান উৎস হিসেবে গভীর নলকূপের কথা জানান। ৩৮ জন ব্যবহার করতেন সাধারণ নলকূপের পানি। গৃহস্থালি কাজে ৫৩ জন বা ৫৫ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ পানি, যার মধ্যে পুকুরও রয়েছে, ব্যবহার করতেন।

এই ৯৬ জনের মধ্যে ৮০ জন বা ৮৩ শতাংশ পানি বিশুদ্ধ করতেন না।

পানির লবণাক্ততার মধ্যেও পার্থক্য পাওয়া যায়। নলকূপের পানিতে প্রতি লিটারে লবণাক্ততার মাত্রা ছিল ২১০ থেকে ২৩৫ মিলিগ্রাম। পুকুরের পানিতে তা ছিল ২৮৩ থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩২০ মিলিগ্রাম। পাঁচটি পুকুরের মধ্যে দুটিতে লবণাক্ততার মাত্রা প্রতি লিটারে ১ হাজার মিলিগ্রামের বেশি ছিল।

গবেষকদের মতে, শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়ায় লবণাক্ততা এবং নিরাপদ পানির সংকট বাড়তে পারে। তখন মানুষ বিকল্প পানির উৎস ব্যবহার করতে বাধ্য হন, যার মধ্যে অনিরাপদ উৎসও থাকতে পারে।

ওয়াসার পানির নমুনা পরীক্ষা হয়নি

চট্টগ্রাম নগরের ৭০ জন রোগীর মধ্যে ৩৮ জন বা ৫৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁদের খাবার পানির প্রধান উৎস ছিল চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি। ২২ জন গভীর নলকূপ, ছয়জন সাধারণ নলকূপ এবং চারজন বোতলজাত পানি ব্যবহার করতেন।

নগরের ৭০ রোগীর মধ্যে ৩৭ জন বা ৫৩ শতাংশ পানির সংকটের কথা জানিয়েছেন। ৩৩ জন পানি বিশুদ্ধ না করেই ব্যবহার করতেন।

তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে ওয়াসার পানি থেকেই রোগ ছড়িয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। কারণ গবেষকেরা ওয়াসার সরবরাহ করা পানির কোনো নমুনা পরীক্ষা করেননি।

গবেষণায় অনিয়মিত পানি সরবরাহকেও সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকলে পাইপলাইনের ভেতরের চাপ কমে যেতে পারে। পাইপে কোথাও ফুটো বা ক্ষতি থাকলে বাইরের দূষিত পানি ভেতরে প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হয়।

একক কোনো কারণ পাওয়া যায়নি

২০২৩ সালের ডায়রিয়া ও কলেরা প্রাদুর্ভাবের জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট পানির উৎস বা একক কারণ চিহ্নিত করতে পারেননি গবেষকেরা। তাঁদের মতে, অনিরাপদ পানির উৎস, পানির সংকট, লবণাক্ততা, দুর্বল স্যানিটেশন এবং পানি বিশুদ্ধ না করার মতো একাধিক ঝুঁকি একই সময়ে বিদ্যমান ছিল।

গবেষণাটি ছিল জরুরি প্রাদুর্ভাব তদন্তের ভিত্তিতে করা একটি বর্ণনামূলক গবেষণা। কোথায় ও কখন রোগী বেড়েছে, রোগীদের পানির উৎস কী এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পানি ও পরিবেশের পরিস্থিতি কেমন—এসব বিষয় এতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট কারণ সরাসরি রোগের জন্য দায়ী কি না, তা আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হয়নি।

ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, নিয়মিত পানির মান পরীক্ষা, পাইপলাইন ও পানির উৎস পর্যবেক্ষণ এবং স্যানিটেশনব্যবস্থার উন্নয়নের সুপারিশ করেছেন গবেষকেরা। বর্ষা শুরুর আগেই ডায়রিয়া ও কলেরা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিরাপদ পানি নিশ্চিতের তাগিদ

চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ডায়রিয়া ও কলেরার মতো পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা। শুধু পান করার পানি নয়, রান্না ও খাবার তৈরিতেও নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলে নলকূপ স্থাপনের সময় শৌচাগার ও পয়োবর্জ্যের উৎস থেকে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। কোনো অবস্থাতেই শৌচাগারের বর্জ্য পুকুর বা অন্য কোনো পানির উৎসে পড়তে দেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বাসাবাড়ির পানির ট্যাংকও নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

কোনো এলাকায় হঠাৎ ডায়রিয়ার রোগী বেড়ে গেলে শুধু চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেই হবে না বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে ওই এলাকার খাবার পানির উৎস, পানির ট্যাংক ও স্যানিটেশনব্যবস্থা পরীক্ষা করে দূষণের সম্ভাব্য উৎস শনাক্ত করতে হবে। দ্রুত উৎস চিহ্নিত করা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।