শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাজধানীতে হাঁড়ি-পাতিল হাতে জামায়াতের বিক্ষোভ, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ

>> জামায়াতের কাছে সহায়তা চেয়েও পাননি, শিবিরকর্মীকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

>> শামীম হত্যা মামলায় যুবদল নেতা ভদুর তিন দিনের রিমান্ড

>> শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে সরকারের ব্যর্থতায় ঝুঁকিতে শিল্প খাত: এবি পার্টি

>> জামিনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের সঙ্গে পরীমনির বাগ্‌বিতণ্ডা

>> মিরপুরে ২০টি ককটেলসহ মশাল লাঠি ও কেরোসিন উদ্ধার

>> কুর্মিটোলায় পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ, আহত কনস্টেবল

>> শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা, সরকারকে চাপে ফেলার অভিযোগ

>> কর্মস্থলে ফিরেছেন পোশাকশ্রমিকেরা, শিল্পাঞ্চলে মোতায়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

>> এক দিনের সফরে মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, খুলনায়ও রয়েছে কর্মসূচি

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

আমিনবাজারে পোশাক কারখানায় ঢুকে এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা


Rabeya ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১১:৪৪



আমিনবাজারে পোশাক কারখানায় ঢুকে এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা


ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক উপপরিদর্শককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁর ২৬ বছর বয়সী ছোট ছেলেও গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার রাতে মদিনা সিটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম মো. আলতাব হোসেন (৬০)। তিনি ঢাকার মালিবাগে এসবির কার্যালয়ে উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আহত তাঁর ছেলে আরিফুল ইসলামকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শনিবার রাত আটটার দিকে কারখানার পাশের একটি অটোরিকশা গ্যারেজের সামনে এক বয়স্ক ব্যক্তিকে কয়েকজন মারধর করছিলেন। অটোরিকশা ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ির সাইড দেওয়া-নেওয়াকে কেন্দ্র করে ওই ঘটনার সূত্রপাত হয় বলে পরিবারের দাবি।

বিষয়টি দেখে আলতাব হোসেন সেখানে গিয়ে মারধর বন্ধ করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তাঁকেও মারধর করা হয়। তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে আঘাত করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে তিনি কারখানায় ফিরে যান।

ঘটনার কথা জানতে পেরে তাঁর ছোট ছেলে আরিফুলও বাবার সঙ্গে বাইরে যান। পরিবারের দাবি, কিছুক্ষণ পর ব্যক্তিগত গাড়িতে থাকা কয়েকজনসহ আরও বেশ কয়েকজন লোক কারখানার সামনে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাবা-ছেলে কারখানার ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করার চেষ্টা করেন।

পরিবারের অভিযোগ, হামলাকারীরা জোর করে কারখানার ভেতরে ঢুকে আলতাব ও আরিফুলকে মারধর করেন। একপর্যায়ে আরিফুলকে মাটিতে ফেলে লাথি মারা হয় এবং তাঁর মাথায় ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়। একই সময় আলতাব হোসেনকেও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক আলতাব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর ছেলে আরিফুল বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

নিহতের বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তাঁদের কারখানার আশপাশে একটি সাদা রঙের ব্যক্তিগত গাড়িতে কয়েকজন নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন। কারখানার পাশের একটি খোলা জায়গায় তাঁরা মাদক সেবন করতেন বলেও তাঁর অভিযোগ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল আলম জানিয়েছেন, আমিনবাজারের বড়দেশি এলাকায় এসবির এক সদস্যকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।