নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় বিএনপির নেতা রফিকুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় আরও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, ২০২২ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় তাকে একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে অন্য ব্যক্তিরাও ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। ২০২৫ সালের মার্চে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগও করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জানালে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই ছাত্রীকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামকে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে কেন্দুয়া পৌর বিএনপি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মামলার দুই নম্বর আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।