শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬
২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, মাহবুব-উসমান-হেমায়েতকে ঘিরে প্রশ্ন

>> ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা, নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

>> সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ

>> মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

>> ট্রাকচালক হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ আসামির অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

>> হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে আদালতে ওঠানো নিয়ে পলকের আপত্তি

>> সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে নতুন কমিটি: রিজভী

>> নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দি যুবকের ঢামেকে মৃত্যু

>> ভারতে শেখ হাসিনার আইনি মর্যাদা কী, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

>> বিদ্যালয় থেকে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মেয়েধরা’ সন্দেহে নারীকে মারধর

আপনি পড়ছেন : ফরিদপুর

ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই প্রবাসীসহ তিন বন্ধুর মৃত্যু


Rabeya ৩০ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৪০



ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই প্রবাসীসহ তিন বন্ধুর মৃত্যু


ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই সৌদিপ্রবাসীসহ তিন তরুণ নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নগরকান্দা উপজেলার হাসনহাটি গ্রামের চয়ন মোল্লা (২৩), সিয়াম মোল্লা (২৩) এবং নয়ন হোসেন (২১)। চয়ন ও সিয়াম দুজনই সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় চয়ন মোল্লা ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় সিয়াম ও নয়নকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে রাতের দিকে কেরানীগঞ্জ এলাকায় তাঁদের দুজনের মৃত্যু হয়।

নিহত চয়ন মোল্লা হাসনহাটি গ্রামের দলিল উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে। তিনি ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশে ফিরেছিলেন। একই গ্রামের আজগর মোল্লার ছেলে সিয়াম মোল্লাও সৌদিপ্রবাসী ছিলেন। তিনি দুর্ঘটনার প্রায় ২০ দিন আগে দেশে এসেছিলেন।

অন্যদিকে নয়ন হোসেন ছিলেন একই গ্রামের এনায়েত হোসেনের ছেলে। তিনি কিছু সময় কুর্দিস্তানে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে দেশে ফিরে নগরকান্দা এলাকায় একটি কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানে মোটরসাইকেলে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, শনিবার বিকেলে চয়ন তাঁর দুই বন্ধু সিয়াম ও নয়নকে সঙ্গে নিয়ে নগরকান্দার লস্করদিয়া এলাকা থেকে ভাঙ্গার গোলচত্বর ও আশপাশের এলাকায় ঘুরতে বের হন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার সময় নওপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে তাঁদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মো. কাইয়ুম মিয়া জানান, তিন তরুণের বয়স কাছাকাছি হওয়ায় তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল এবং তাঁরা প্রায়ই একসঙ্গে ঘোরাফেরা করতেন। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট আজাদুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। এখন পর্যন্ত বাসটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। গাড়িটি শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।