মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মধ্যেই রাশিয়া–চীন সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুতিন-সির

>> জুলাই যোদ্ধাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

>> অতীত ভুলে নয়, সামনে এগিয়ে যেতে হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

>> দুর্গন্ধে খবর পেয়ে তালা ভেঙে বৃদ্ধার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

>> ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মশালমিছিল, নেতৃত্বে জেলা সভাপতি

>> নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগের পর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান

>> মেসির অবসরের খবরে আবেগাপ্লুত বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন

>> স্থানীয় নির্বাচন সামনে, ইউপিতে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

>> চট্টগ্রামে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই তরুণ নিহত

>> ৬৪৪ থেকে ২৮ হাজার ফলোয়ার, ২৩ বছর পর ফিরেই ভাইরাল সেই নায়িকা

আপনি পড়ছেন : বিনোদন

অতীত ভুলে নয়, সামনে এগিয়ে যেতে হবে: দীনেশ ত্রিবেদী


Rabeya ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৩:১৬



অতীত ভুলে নয়, সামনে এগিয়ে যেতে হবে: দীনেশ ত্রিবেদী


অতীতকে অস্বীকার করা যায় না, তবে অতীতের মধ্যে আটকে থাকলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে চান না জানিয়ে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের জনগণের। তারা দেশের জন্য যা ভালো মনে করবেন, সেটিই হবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ভারতের স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা সম্পর্কে হাইকমিশনার তাঁদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও জোরদার করাই তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য। একজনের দায়িত্ব শেষ হলে অন্য কেউ দায়িত্ব নিলেও দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার নীতিতে পরিবর্তন হবে না।

তিনি বলেন, দুই দেশের যেকোনো সিদ্ধান্তের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। তাই জনগণের জন্য ইতিবাচক হয়—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াই উভয় দেশের দায়িত্ব।

প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক দায়িত্বের কথাও তুলে ধরেন ভারতের হাইকমিশনার। তাঁর মতে, দুই দেশই সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং কেউ কারও চেয়ে বড় বা ছোট নয়।

প্রায় ৩০ মিনিটের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। ভবিষ্যতে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেগুলো মোকাবিলা করে দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন দীনেশ ত্রিবেদী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বাংলাদেশ ও ভারতকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।