বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬
২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ‘অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> ১০ম গ্রেডের বিআরটিএ কর্মকর্তা ইকবালের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

>> বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু, কিশোরের জামিন নামঞ্জুর

>> ধানমন্ডিতে বয়স্ক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক

>> টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

>> বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকার মারামারি, ভাইরাল ভিডিও

>> বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

>> নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার

>> রাস্তা বন্ধ থাকায় ঘর ভেঙে মরদেহ নিয়ে গেলেন এলাকাবাসী

>> নিরাপত্তার কারণে কারাগারে রেখেই জিয়াউল আহসানের বিচার

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

‘ড্রোন হামলা’র জবাবে আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে বিমান হামলা চালাল পাকিস্তান


Rabeya ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:০২



‘ড্রোন হামলা’র জবাবে আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে বিমান হামলা চালাল পাকিস্তান


আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে বিমান হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান। তাঁর দাবি, এসব স্থানে ড্রোন উড্ডয়ন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। হামলায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তান থেকে উড়ে আসা কয়েকটি ড্রোন বুধবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহার করা হয়েছিল। পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ড্রোন শনাক্ত করে এবং লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই সেগুলো ধ্বংস করে।

এরপর পাকিস্তানি বাহিনী আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে বিমান ও ড্রোন হামলা চালায়। পাকিস্তানের দাবি, ড্রোন হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও চিহ্নিত সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। সীমান্তপারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ফেব্রুয়ারিতে কয়েক বছরের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঘটনা ঘটে।

পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। তবে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

তালেবান সরকারের দাবি, পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে তারা আশ্রয় দেয় না। দেশটির পক্ষ থেকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যার জন্য পাকিস্তানকেই দায়ী করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে আতাউল্লাহ তারার বলেন, তালেবান সরকার ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালালে পাকিস্তান তার ‘দৃঢ় ও কঠোর’ জবাব দেবে।