শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

>> শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের একটি অংশ হত্যা করেছিল: ত্রাণমন্ত্রী

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

>> গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর

>> বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন ডগ স্কোয়াড

>> ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

>> জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী

>> ইরানে ‘দখলদার’ হিসেবে থাকার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের দাবিও

>> চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

জার্মান সরকারের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের শাকিল সৈয়দ


Rabeya ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:২৯



জার্মান সরকারের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের শাকিল সৈয়দ


বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কাজ করে আসায় জার্মান সরকারের বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশি-জার্মান নাগরিক শাকিল সৈয়দ।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ‘এনগেজমেন্ট প্রাইস’ দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর জার্মানির ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (বিএমজেড) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

জার্মানির বন শহরে বিএমজেডের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন ডে’ অনুষ্ঠানে শাকিল সৈয়দসহ মোট সাতজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জার্মানির উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান।

বর্তমানে নুরেমবার্গে বসবাসকারী শাকিল সৈয়দ দুই দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার পাশাপাশি নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছেন।

নিজের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘আশা-বাংলাদেশের জন্য প্রত্যাশা’র মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত ও পিছিয়ে থাকা অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করাও তাঁর কাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

বিএমজেডের প্রশংসাপত্রে বলা হয়েছে, শাকিল সৈয়দের কার্যক্রমের মাধ্যমে জার্মানির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবন ও উন্নয়নসংক্রান্ত বাস্তবতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ক্ষেত্রেও তিনি একটি সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করছেন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান বলেন, সম্মাননা পাওয়া সাত ব্যক্তি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সংহতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বর্তমান সময়ে যখন জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতা বাড়ছে, তখন তাঁদের মতো মানুষের উদ্যোগ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এবার শাকিল সৈয়দ ছাড়াও জার্মানির বিভিন্ন শহরের আরও কয়েকজন ব্যক্তি সম্মাননা পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কোলনের গ্লোরিয়া নিয়াকুয়ে, ডুসেলডর্ফের ইউলিয়ুস লাটজেল, বার্লিনের বাতিয়া ব্লাঙ্কার্স, কারিন ম্লোডক ও নাতালিয়া ফিব্রিগ। বন শহরের ইয়েন্স মার্টেন্সকে মরণোত্তর এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসা শাকিল সৈয়দের এই স্বীকৃতি দুই দেশের মানুষের মধ্যে সহযোগিতা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগের গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।