মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬
১০ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ওসি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর গাড়ি আটকে আড়াই কোটি টাকার মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিএনপি নেতা সম্রাটের বিরুদ্ধে

>> দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, ফ্লাইট চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন

>> অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিল: সঠিক পথে এগোনোর সুযোগ

>> অবশেষে অনুমতি পেলো ২০০৮ মডেলের ১১২ সিএনজি অটোরিকশার প্রতিস্থাপনের জন্য স্ক্রাপকরণ

>> নুসরাতের পরিবারের নিরাপত্তা জোরদার, রায় ঘিরে সতর্ক পুলিশ

>> জঙ্গল থেকে মায়ের লাশ উদ্ধারের পাঁচ দিন পর নদে মিলল শিশুসন্তানের মরদেহ

>> নিষেধাজ্ঞায় কি ইরানকে থামানো যাবে? ‘অ্যানাকোন্ডা কৌশল’ নিয়ে নতুন বিশ্লেষণ

>> গ্যাস সংকটে টাইলস উৎপাদনে ধস, বাজারে বাড়ছে পণ্যের সংকট

>> ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল বিক্রি ৪১ কোটি টাকায়

>> নারায়ণগঞ্জে আদালত প্রাঙ্গণে হত্যা মামলার আসামিকে মারধর

আপনি পড়ছেন : ব্যাংক

এক বছরে ৩০ হাজারের বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য, বেড়েছে ৭৪ শতাংশ


Sheikh Mojahidur Rahman ১৫ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:০৩
এক বছরে ৩০ হাজারের বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য, বেড়েছে ৭৪ শতাংশ

দেশে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মোট ৩০ হাজার ১৯৯টি সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের প্রতিবেদন জমা পড়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বেশি।

বুধবার প্রকাশিত বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মোট প্রতিবেদনের মধ্যে ২০ হাজার ৫২৪টি ছিল সন্দেহজনক লেনদেন (এসটিআর) এবং ৯ হাজার ৬৭৫টি ছিল সন্দেহজনক কার্যক্রম (এসএআর) সংক্রান্ত। এসব প্রতিবেদনের প্রায় ৯৫ শতাংশই এসেছে ব্যাংক খাত থেকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএফআইইউ প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলো আগের তুলনায় বেশি সংখ্যায় সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাঠাচ্ছে। তাঁর মতে, এখন আর এসব তথ্য জানাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আগের মতো অনীহা বা ভয় নেই।

তিনি আরও বলেন, সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয় না। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে এমন প্রতিবেদনের সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩৪৫টি। আর ২০২০–২১ অর্থবছরে ছিল মাত্র ৫ হাজার ২৮০টি। ফলে চার বছরের ব্যবধানে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিএফআইইউ জানায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হলে তা দ্রুত বিএফআইইউকে জানাতে বাধ্য।

এদিকে সংস্থাটি বলছে, অনলাইন জুয়া, বাজি, ক্রিপ্টোকারেন্সি, বৈদেশিক মুদ্রার অবৈধ লেনদেন এবং ডিজিটাল হুন্ডির মতো কার্যক্রমও বাড়ছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বিএফআইইউর মতে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং অর্থ পাচার প্রতিরোধে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সচেতনতা বৃদ্ধির কারণেই সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।