বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬
৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> শেখ হাসিনা যা করেছেন, পারলে তোমরাও করে দেখাও

>> সংসদে বসে শেখ হাসিনার বিরোধিতা করলে চলবে না—আতাহার হোসেন ফরাজী

>> জামিন হওয়ার পরে ভূয়া মামলায় নড়াইল-১ আসনের এমপিকে আবারও গ্রেফতার

>> ছয় মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৫৬, মব সহিংসতায় প্রাণ গেছে ১৩৩ জনের

>> এআই ব্যবহারে ব্যবসায়িক গোপন তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি বাড়ছে, সতর্ক করলেন সত্য নাদেলা

>> হাসিনা আবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন

>> তারেক রহমানের গাড়ি বহরে হামলা

>> শেখ হাসিনার বি'রুদ্ধে অ'বৈধ মা'ম'লা হয়েছে—দাবি আইনজীবীদের

>> মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নাকচ করলেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ

>> এবার ভিন্ন স্বাদের চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা জয়া আহসানের

LIVE

শেখ হাসিনা ফিরলে ১ মাসেও ঢাকা ফাঁকা হবে না! If Hasina returns, Dhaka won't empty out even in a month
আপনি পড়ছেন : ব্যাংক

এক বছরে ৩০ হাজারের বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য, বেড়েছে ৭৪ শতাংশ


Sheikh Mojahidur Rahman ১৫ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:০৩
এক বছরে ৩০ হাজারের বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য, বেড়েছে ৭৪ শতাংশ

দেশে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মোট ৩০ হাজার ১৯৯টি সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের প্রতিবেদন জমা পড়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বেশি।

বুধবার প্রকাশিত বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মোট প্রতিবেদনের মধ্যে ২০ হাজার ৫২৪টি ছিল সন্দেহজনক লেনদেন (এসটিআর) এবং ৯ হাজার ৬৭৫টি ছিল সন্দেহজনক কার্যক্রম (এসএআর) সংক্রান্ত। এসব প্রতিবেদনের প্রায় ৯৫ শতাংশই এসেছে ব্যাংক খাত থেকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএফআইইউ প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলো আগের তুলনায় বেশি সংখ্যায় সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাঠাচ্ছে। তাঁর মতে, এখন আর এসব তথ্য জানাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আগের মতো অনীহা বা ভয় নেই।

তিনি আরও বলেন, সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয় না। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে এমন প্রতিবেদনের সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩৪৫টি। আর ২০২০–২১ অর্থবছরে ছিল মাত্র ৫ হাজার ২৮০টি। ফলে চার বছরের ব্যবধানে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিএফআইইউ জানায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হলে তা দ্রুত বিএফআইইউকে জানাতে বাধ্য।

এদিকে সংস্থাটি বলছে, অনলাইন জুয়া, বাজি, ক্রিপ্টোকারেন্সি, বৈদেশিক মুদ্রার অবৈধ লেনদেন এবং ডিজিটাল হুন্ডির মতো কার্যক্রমও বাড়ছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বিএফআইইউর মতে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং অর্থ পাচার প্রতিরোধে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সচেতনতা বৃদ্ধির কারণেই সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।