শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

>> শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের একটি অংশ হত্যা করেছিল: ত্রাণমন্ত্রী

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

>> গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর

>> বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন ডগ স্কোয়াড

>> ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

>> জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী

>> ইরানে ‘দখলদার’ হিসেবে থাকার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের দাবিও

>> চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির পর স্বামীর জানাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত


Rabeya ১৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:১৯



দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির পর স্বামীর জানাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

মুন্সীগঞ্জ কারাগারে থাকা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে তার প্যারোলে মুক্তির পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম জানান, প্যারোলে মুক্তির আবেদন করতে আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যরা মুন্সীগঞ্জে অবস্থান করছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু। তিনি জানান, রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তৌফিক নেওয়াজ মারা যান।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোথায় ও কখন জানাজা এবং দাফন করা হবে, সে বিষয়ে বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির বিষয়টিও এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে তৌফিক নেওয়াজ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চলতি বছরের ২৭ মে স্বজনরা তাকে হুইলচেয়ারে করে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখানে তিনি কারাবন্দি স্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে দেখা করেন।

ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পেশাগত জীবন পরিচালনা করেছেন।

দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির আবেদন এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি চূড়ান্ত হবে।