শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

>> শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের একটি অংশ হত্যা করেছিল: ত্রাণমন্ত্রী

>> জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

>> গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, আজ থেকেই কার্যকর

>> বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে নয়াপল্টনে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন ডগ স্কোয়াড

>> ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

>> জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ পথ হারাবে না: প্রধানমন্ত্রী

>> ইরানে ‘দখলদার’ হিসেবে থাকার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের দাবিও

>> চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

হামে ভয়াবহ পরিস্থিতি, মৃত্যু ছাড়াল ৯৯০


Rabeya ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:২০



হামে ভয়াবহ পরিস্থিতি, মৃত্যু ছাড়াল ৯৯০


দেশে আবারও ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে হাম। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজারের বেশি শিশু। এতে চলতি বছরে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে এমন মাত্রায় হামের সংক্রমণ ও শিশুমৃত্যুর ঘটনা সাম্প্রতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। বছরের শুরুতে শিশুদের মধ্যে হঠাৎ সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর ধীরে ধীরে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো টিকাদানে ঘাটতি। গত কয়েক বছরে নিয়মিত টিকাদানের আওতা কমে যাওয়ায় অনেক শিশু হামের প্রয়োজনীয় দুই ডোজ টিকা পায়নি। ফলে শিশুদের একটি বড় অংশ হাম প্রতিরোধের সুরক্ষা বলয়ের বাইরে রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, হাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনো জনগোষ্ঠীর অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে দুই ডোজ টিকার আওতায় আনা প্রয়োজন। এই মাত্রার টিকাদান নিশ্চিত হলে সংক্রমণের বিস্তার অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব হয়।

বাংলাদেশে আগের বিভিন্ন জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে হাম প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য ছিল। কিন্তু ২০২০-২১ সালের পর বিশেষ ক্যাম্পেইন না হওয়া এবং নিয়মিত টিকাদানের হার কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চলতি বছর সংক্রমণ বাড়ার পর শিশুদের টিকাদানে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হলেও বিপুলসংখ্যক শিশু এর আওতার বাইরে থেকে গেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই টিকাদান ঘাটতি পূরণ না হলে হাম নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।

তাদের মতে, দ্রুত টিকাদানের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেখানে বিশেষ নজরদারি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিভাবকদের শিশুদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ।