রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ছুটি ঘোষণা ৭ কারখানায়

>> পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

>> শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আবেগ নয়, আইনি প্রক্রিয়ায় এগোবে সরকার: আইনমন্ত্রী

>> সাক্ষ্য না দিয়েও চার্জশিটে সাক্ষীর বিবৃতি, দুই আসামিকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ

>> জামালপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল

>> কারা ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দিচ্ছে, জানাল ডিএমপি

>> জামায়াতের নেতৃত্ব নিয়ে রাশেদ খানের কড়া সমালোচনা, আমির হামজা ও গাজী নজরুলকে ঘিরে মন্তব্য

>> শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার নিশ্চয়তা চাইলেন যুক্তরাজ্যের ছয় রাজনীতিক

>> হবিগঞ্জে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত নিচের অংশ

>> বিতর্কের মধ্যেই নীল স্যুটে পরীমনির নতুন লুক, ছবি ঘিরে আলোচনা

আপনি পড়ছেন : গাজীপুর

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ছুটি ঘোষণা ৭ কারখানায়


Sifat Islam Sohag ৮ নভেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:০৮



বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ছুটি ঘোষণা ৭ কারখানায়


বেতন বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে আবারও বিক্ষোভে নেমেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এ সময় কয়েকটি কারখানা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেন। পরে লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ীর জরুন এলাকার দিকে আসেন। এ সময় আশপাশের কয়েকটি পোশাক কারখানা লক্ষ্য করে তাঁরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। তখন কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল।

একপর্যায়ে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানার ভেতরে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা শ্রমিকদের ধাওয়া দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজিবি। পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। তবে বেলা ৩টার দিকে একই দাবিতে মণ্ডল গ্রুপের কয়েকজন শ্রমিক জরুন মোড়ের দিকে আসেন। এ সময় তাঁরা ছয় থেকে সাতটি কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা লাঠিপেটা এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাঁদের সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ওই সাতটি কারখানা ছাড়া গাজীপুরের অন্যান্য কারখানায় বর্তমানে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।