সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
৪ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> দুর্গাপূজার ছুটিতে মেট্রোরেলের সময়সূচিতে পরিবর্তন

>> সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী

>> মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতাসহ আটক ১০, আদালতে ২ জন

>> মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাক হোসেনের

>> রাষ্ট্রের ব্যর্থতায় অস্ত্র হাতে মাঠে নামতে হয়েছে ইশরাককে: আখতার হোসেন

>> রাজউকে নকশা অনুমোদনে ৫–৬ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, কাঠগড়ায় কর্মকর্তা সাইদা ইসলাম

>> ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৮৪, মাদকসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার

>> ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক চান পুতিন

>> দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন

>> দুপুর ২টায় পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

রাবিতে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় পাঁচ দফা দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের


৩০ জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৪৩



রাবিতে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় পাঁচ দফা দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলীমের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে তারা এসব দাবি উত্থাপন করে।

জোটের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঘটনায় অভিযুক্ত রাকসু ও ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্ট নেতাদের আইনের আওতায় আনা, রাকসু ভবনে হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশাল মিছিলে হামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দোষীদের বিচার নিশ্চিত করা।

এ ছাড়া জুলাই-পরবর্তী বিভিন্ন অমীমাংসিত ঘটনার, যেমন আবাসিক হলে শিক্ষার্থী লাঞ্ছনা ও অন্যান্য অভিযোগের তদন্ত শেষ করে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রক্টর কার্যালয়ের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন তল্লাশি, শারীরিকভাবে হেনস্তা এবং পরবর্তী সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগে প্রক্টরিয়াল বডির জবাবদিহিও দাবি করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর ওপর একাধিক দফায় হামলার ঘটনায় ক্যাম্পাসে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, গ্রন্থাগারের মতো একটি শিক্ষাঙ্গনে এমন ঘটনা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোনো অভিযোগ তদন্ত বা শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা কেবল প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির। ছাত্রনেতাদের এমন ভূমিকা গ্রহণ এবং প্রশাসনের নীরবতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তারা মনে করে।

এছাড়া জোট অভিযোগ করে, অতীতে তাদের একটি মশাল মিছিলে হামলার ঘটনায় পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হলেও দীর্ঘ সময়েও কোনো বিচার হয়নি। তাদের মতে, বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি নতুন করে সহিংসতার পরিবেশ তৈরি করছে।

স্মারকলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকারও সমালোচনা করা হয়। জোটের ভাষ্য, অতীতে সহিংস রাজনীতির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষার্থীরা মুক্ত থাকতে চাইলেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে ক্যাম্পাসে আবারও অস্থিরতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।