বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> গুলশান থেকে গ্রেপ্তার গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান

>> সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়িতে পেট্রোল বোমা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ

>> ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় মাদারগঞ্জ জামায়াতের সাবেক আমির গ্রেপ্তার

>> ইরানের সঙ্গে সমঝোতা ব্যর্থ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

>> বিআরটিএতে গোপন অভিযোগ ফাঁসের অভিযোগ, এডি শেখ ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

>> ঢাকা জজ কোর্টে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিনের চেম্বারে অতর্কিত তাণ্ডব, চেম্বার বন্ধের হুমকির অভিযোগ

>> জামায়াতের সমঝোতার ধর্ষণ, বিএনপির চাঁদাবাজি, এনসিপির জুলাই এই মিলেই শেষ সাজানো দেশ -এম রহমান

>> ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

>> পাইপলাইনে মিয়ানমারের গ্যাস: কতটা বাস্তব, কতটা সম্ভাবনা?

>> বরগুনায় লোডশেডিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

LIVE

বিএনপির নতুন সংযোজন খাম্বা আছে ,তার আছে কিন্তু কারেন্ট নাই -হানিফ খোকন
আপনি পড়ছেন : খেলা

আক্রমণাত্মক ফুটবলেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা


Sheikh Mojahidur Rahman ১৬ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:৪০
আক্রমণাত্মক ফুটবলেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের লড়াই প্রত্যাশামতোই ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের শুরুতে দুই দলই শারীরিক লড়াই ও কৌশলগত ফুটবলে একে অপরকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেয় আর্জেন্টিনা।

বিরতির পর বলের দখল, আক্রমণের গতি এবং সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় লাতিন আমেরিকার দলটি। বিশেষ করে দুই প্রান্ত ব্যবহার করে ধারাবাহিক আক্রমণ গড়ে তোলে তারা, যা ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে বারবার বিপদে ফেলে।

লিওনেল মেসি এ ম্যাচে গোল না করলেও আক্রমণ পরিচালনায় ছিলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। ডান প্রান্তে নেমে এসে তিনি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের অবস্থান বদলে দিতে বাধ্য করেন। তাঁর নিখুঁত দুটি পাস থেকেই আসে আর্জেন্টিনার দুই গোল, যা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

সমতার গোলটি আসে দূরপাল্লার দুর্দান্ত এক শটে, যা ইংল্যান্ডের গোলরক্ষকের পক্ষে ঠেকানো কঠিন ছিল। এরপর যোগ করা সময়ে বক্সে ভেসে আসা ক্রসে লাওতারো মার্তিনেজ সবার ওপরে উঠে হেড করে জয়সূচক গোল করেন।

অন্যদিকে ইংল্যান্ড শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ধার কমিয়ে রক্ষণ সামলানোর কৌশল নেয়। কিন্তু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় শুধু রক্ষণভাগের ওপর নির্ভর করায় তারা ক্রমেই চাপে পড়ে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ হারানোর সঙ্গে সঙ্গে আর্জেন্টিনা ম্যাচের ছন্দ পুরোপুরি নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।

ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ব্যবধান আরও বড় হওয়া থেকে দলকে রক্ষা করেন। তা না হলে ম্যাচের ফল আরও একপেশে হতে পারত।

পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস ও কৌশলগত পরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছে, তা তাদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল দীর্ঘদিনের বিশ্বকাপ স্বপ্ন পূরণের একটি বড় সুযোগ, যা শেষ পর্যন্ত হাতছাড়া হয়ে যায়।

ফাইনালে ওঠার মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। বর্তমান ফর্ম, দলীয় সমন্বয় ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় তারা শিরোপার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা।