বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> পুরো সড়ক বন্ধ করে নির্মাণকাজ, দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা

>> হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৩৬

>> বেক্সিমকোর শ্রমিকদের জীবনে অনিশ্চয়তা, কেউ চা বিক্রি করছেন, কেউ চালাচ্ছেন অটোরিকশা

>> মহাকাশযুদ্ধের প্রস্তুতি বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের আহ্বান

>> ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: পদদলিত হয়ে স্বজনদের মৃত্যুর দাবি

>> রাজস্থানে স্থানীয় নির্বাচনে বিজেপির কোনোরকমে ‘মুখরক্ষা’

>> এইডস-যক্ষ্মা-ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ৪ হাজার ৩৯ কোটি টাকার প্রকল্প

>> চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশি নাগরিক রিমান্ডে

>> ২৮ বছরেও সংযোগ সড়ক হয়নি, অচল বুড়িচংয়ের সেতু

>> পাটের আঁশে লাভের আশা, ভালো ফলনে খুশি সাতক্ষীরার কৃষকেরা

আপনি পড়ছেন : খেলা

আক্রমণাত্মক ফুটবলেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা


Sheikh Mojahidur Rahman ১৬ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:৪০
আক্রমণাত্মক ফুটবলেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের লড়াই প্রত্যাশামতোই ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের শুরুতে দুই দলই শারীরিক লড়াই ও কৌশলগত ফুটবলে একে অপরকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেয় আর্জেন্টিনা।

বিরতির পর বলের দখল, আক্রমণের গতি এবং সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় লাতিন আমেরিকার দলটি। বিশেষ করে দুই প্রান্ত ব্যবহার করে ধারাবাহিক আক্রমণ গড়ে তোলে তারা, যা ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে বারবার বিপদে ফেলে।

লিওনেল মেসি এ ম্যাচে গোল না করলেও আক্রমণ পরিচালনায় ছিলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। ডান প্রান্তে নেমে এসে তিনি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের অবস্থান বদলে দিতে বাধ্য করেন। তাঁর নিখুঁত দুটি পাস থেকেই আসে আর্জেন্টিনার দুই গোল, যা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

সমতার গোলটি আসে দূরপাল্লার দুর্দান্ত এক শটে, যা ইংল্যান্ডের গোলরক্ষকের পক্ষে ঠেকানো কঠিন ছিল। এরপর যোগ করা সময়ে বক্সে ভেসে আসা ক্রসে লাওতারো মার্তিনেজ সবার ওপরে উঠে হেড করে জয়সূচক গোল করেন।

অন্যদিকে ইংল্যান্ড শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ধার কমিয়ে রক্ষণ সামলানোর কৌশল নেয়। কিন্তু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় শুধু রক্ষণভাগের ওপর নির্ভর করায় তারা ক্রমেই চাপে পড়ে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ হারানোর সঙ্গে সঙ্গে আর্জেন্টিনা ম্যাচের ছন্দ পুরোপুরি নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।

ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ব্যবধান আরও বড় হওয়া থেকে দলকে রক্ষা করেন। তা না হলে ম্যাচের ফল আরও একপেশে হতে পারত।

পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস ও কৌশলগত পরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছে, তা তাদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল দীর্ঘদিনের বিশ্বকাপ স্বপ্ন পূরণের একটি বড় সুযোগ, যা শেষ পর্যন্ত হাতছাড়া হয়ে যায়।

ফাইনালে ওঠার মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। বর্তমান ফর্ম, দলীয় সমন্বয় ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় তারা শিরোপার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা।