সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে তেহরানে বৈঠকে বসছেন সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা

>> বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা, তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

>> বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপোতে অর্থ লোপাটের অভিযোগ, মোশারফকে ঘিরে প্রশ্ন

>> প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, হানিট্র্যাপ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

>> সৌদি আরবে এক সপ্তাহে প্রায় ১৪ হাজার গ্রেপ্তার

>> আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি, মামলা হলেও শনাক্ত হয়নি হামলাকারী

>> আনিসুল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার চার্জশিট গ্রহণ, তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

>> ৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার, ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন

>> জাতীয় নারীশক্তির নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা, ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি

>> ব্রাসেলসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আটক ৯

আপনি পড়ছেন : খেলা

মেসির জাদুতে স্বপ্ন দেখে আর্জেন্টিনা


Sheikh Mojahidur Rahman ১৬ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:০৮
মেসির জাদুতে স্বপ্ন দেখে আর্জেন্টিনা

ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়—আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে এটি আশা, আবেগ ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। সেই প্রতীকের সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম লিওনেল মেসি। বয়স ৩৯ ছুঁলেও মাঠে তাঁর উপস্থিতি এখনো প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, আর সমর্থকদের জন্য সীমাহীন আত্মবিশ্বাসের উৎস।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ম্যাচের বেশির ভাগ সময় পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। সময় যত গড়িয়েছে, চাপও তত বেড়েছে। কিন্তু মেসি কখনো হাল ছাড়েননি। বল পায়ে তাঁর নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ সাজানোর দক্ষতা এবং সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তাঁর তৈরি করা দুটি আক্রমণ থেকেই আসে জয়ের দুই গোল।

ম্যাচের শুরুতেই জুড বেলিংহামের সঙ্গে তাঁর সংক্ষিপ্ত বাক্যবিনিময়ও আলোচনায় আসে। তবে ম্যাচ শেষে উভয় খেলোয়াড়ই বিষয়টিকে মাঠের স্বাভাবিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। পুরো ম্যাচেই মেসির মধ্যে ছিল জয়ের প্রবল আকাঙ্ক্ষা, যা তাঁর নেতৃত্বকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

জয়ের পর মেসি নিজের সাফল্যের কথা নয়, বরং দেশের মানুষের কথাই আগে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেও যারা প্রতিদিন সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটাতে পারাই দলের সবচেয়ে বড় অর্জন। তাঁর মতে, ফুটবল অনেক সময় মানুষের কষ্ট কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভুলিয়ে দিতে পারে।

একসময় জাতীয় দলে ব্যর্থতার কারণে মেসিকে নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তিনি শুধু আর্জেন্টিনার অধিনায়ক নন, বরং পুরো জাতির অন্যতম অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়েছেন। বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসা আরও গভীর হয়েছে।

ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, দল শুরু থেকেই নিজেদের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রেখেছিল। পিছিয়ে পড়ার পরও তারা পরিকল্পনা থেকে সরে আসেনি। সেই আত্মবিশ্বাসই শেষ পর্যন্ত জয় এনে দিয়েছে এবং টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে দিয়েছে আর্জেন্টিনাকে।

এখন পুরো দেশের দৃষ্টি ফাইনালের দিকে। সমর্থকদের বিশ্বাস, মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ শিখরে উঠতে পারে। আর মেসির কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হয়তো ট্রফি নয়—দেশের কোটি মানুষের মুখে আনন্দের হাসি ফিরিয়ে আনা।