ম্যাচের শুরুতেই লিওনেল মেসি ও জুড বেলিংহামের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একটি মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। খেলার মাত্র তিন মিনিটের মাথায় দুই তারকাকে মুখোমুখি তর্কে জড়াতে দেখা যায়। পরে মেসির কড়া দৃষ্টি ও মাথা নাড়িয়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর দৃশ্যটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
তবে ম্যাচ শেষে বিষয়টিকে খুব সাধারণ একটি ঘটনা বলেই ব্যাখ্যা করেন বেলিংহাম। তিনি জানান, এটি ছিল মাঠের একটি ফাউল নিয়ে স্বাভাবিক আলোচনা, এর বেশি কিছু নয়।
বেলিংহামের ভাষ্য, তিনি মনে করেছিলেন প্রতিপক্ষের একটি ফাউল হয়েছে। তখন মেসি পাল্টা প্রশ্ন করেন, তাঁর ওপর হওয়া ফাউলের বিষয়টি কী হবে। জবাবে বেলিংহাম মেসিকে বলেন, এমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী খেলোয়াড় তিনি। এরপরই কথোপকথনের ইতি ঘটে।
রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। দীর্ঘ সময় সেই লিড ধরে রাখলেও শেষ মুহূর্তে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে মেসির পাস থেকে এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরান। এরপর যোগ করা সময়ে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে লাওতারো মার্তিনেজের হেডে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের প্রথম প্রশ্নই ছিল মেসির সঙ্গে সেই তর্ক নিয়ে। হাসিমুখেই জবাব দেন বেলিংহাম।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের বিপক্ষে খেলতে পারাটাই তাঁর জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। পরাজয়ের হতাশা থাকলেও মেসির মতো কিংবদন্তির সঙ্গে একই মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পেরে তিনি গর্বিত।