মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ডেঙ্গুতে এক দিনে রেকর্ড সংক্রমণ, মৃত্যু ৮

>> ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ‘হাইওয়ে’র গানে মাতল তারুণ্য

>> এআই দিয়ে একটি ছবি তৈরিতে কত পানি খরচ হয়?

>> আগামীকাল রাত থেকে শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

>> দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৯

>> মানিকগঞ্জে সেলফি পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

>> সহপাঠীর বাবার বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ, ঘরের মেঝেতে মরদেহ পুঁতে রাখার দাবি

>> কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত বাংলাদেশের দুই সিনেমা

>> হরমুজ নিয়ে ইরান-উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠক স্থগিত, কূটনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা

>> নতুন লিফটের ব্যবস্থা করার দাবি ডাকসুর, ডিন বললেন ‘মিথ্যাচার’

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

সিটি ব্যাংক পরিচালকের বন্ধকী সম্পদ নিলামে তুলছে ব্যাংক এশিয়া


ডেস্ক রিপোর্ট ১৩ জুলাই ২০২৫, রাত ৮:৪২
সিটি ব্যাংক পরিচালকের বন্ধকী সম্পদ নিলামে তুলছে ব্যাংক এশিয়া

প্রায় ১১৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার ঋণ পুনরুদ্ধারে পারটেক্স গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান পারটেক্স কোল লিমিটেডের বন্ধকী সম্পদ নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে ব্যাংক এশিয়া। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবেল আজিজ, যিনি সিটি ব্যাংকের পরিচালকও, তাকে নিলাম নোটিশে অন্যতম বন্ধকদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকার মহাখালী শাখা থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত নিলাম নোটিশে বলা হয়েছে, পারটেক্স কোল লিমিটেডের বন্ধকী সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে ঋণ পুনরুদ্ধার করা হবে। মানি লোন কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০৩-এর অধীনে এই নিলাম আহ্বান করা হয়েছে। টেন্ডার গ্রহণ চলবে আগামী ৩ আগস্ট পর্যন্ত।


ব্যাংক এশিয়ার নোটিশ অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে কয়লা আমদানি ও বিপণনকারী পারটেক্স কোলের ৯ জুলাই পর্যন্ত বকেয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৬.৪৫ কোটি টাকা। ধারাবাহিকভাবে নোটিশ দেওয়ার পরও ঋণ পরিশোধ না করায় ঋণটি শ্রেণিকৃত হয়েছে। নিলামে তোলা বন্ধকী সম্পদগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা ও গাজীপুরে অবস্থিত ২৫৯.৩৬ শতক জমি এবং কারখানার ভবন।

নিলাম নোটিশে পারটেক্স কোলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ৫০% শেয়ারহোল্ডার রুবেল আজিজের নাম ছাড়াও পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত এম এ হাসেমসহ আরও পাঁচজনের নাম রয়েছে।

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হুসেইন বলেন, ‘আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে, ফলে ঋণটি শ্রেণিকৃত হয়েছে। ঋণ পুনরুদ্ধারে বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বন্ধকী সম্পদ নিলামে তোলা হচ্ছে। আমরা সব সময় ঋণ পুনরুদ্ধারে আলোচনার পক্ষে। প্রতিষ্ঠানটি যিনি পরিচালনা করছেন তিনিও একজন ব্যাংক পরিচালক। তার সব নিয়মনীতি জানা থাকার কথা। নিলামের আগে যদি প্রতিষ্ঠানটি বকেয়া পরিশোধ করে, তাহলে আমরা নিলাম স্থগিত করব।’