বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> কেরানীগঞ্জে সেলুনে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা, আটক ২

>> আদালত অবমাননার অভিযোগে দুই আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ

>> হেলমেট কিনছেন মান যাচাই করে? আমদানির সাড়ে ২৪ শতাংশ নিরাপত্তা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ

>> গুলশান থানার ওসি প্রত্যাহার

>> ট্রাম্প-সি বৈঠকের আগে বেইজিং যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

>> ১৪ ঘণ্টার বদলে ২৬ ঘণ্টা পর গ্যাস, চরম ভোগান্তিতে ২৩ হাজার গ্রাহক

>> দুর্ঘটনার খবর সংগ্রহে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

>> ঈশা আর ফিরবে না, মেয়ের ছবি বুকে নিয়ে কাঁদছেন মা

>> তিস্তার ভাঙনে উত্তরের পাঁচ জেলা বিপর্যস্ত, সাত দিনে বিলীন ৩৮৬ ঘরবাড়ি

>> নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী নিহত শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীর মা

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৩০ ফুট! নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ কী?


Rabeya ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:০৬



৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৩০ ফুট! নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ কী?


তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহের বড় অংশ ধসে পড়াকে অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে তাঁদের ধারণা, প্রায় ৫,২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহের নিচের অংশ ভেঙে প্রায় ১,২০০ মিটার নিচের উপত্যকায় আছড়ে পড়ে। এর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ ও পলিমাটি নেমে এসে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।

রয়টার্সের পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট ছবিতে দুর্যোগের পর পাহাড়ি এলাকা ধ্বংসস্তূপ ও পলিমাটিতে ঢেকে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমবাহের বরফ গলার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ও অবকাঠামো নির্মাণও পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

নেপালের রসুয়া জেলার লেন্দে নদী এলাকায় ভূমিধসের পর বরফ, পাথর ও পানির প্রবল স্রোত তৈরি হয়। এতে নদীর পানি মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৯ মিটার বা ৩০ ফুট বেড়ে যায়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

ভূমিকম্পকেও সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় এবং তিন মিনিট পরই আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। তবে ভূমিকম্পই সরাসরি হিমবাহধসের কারণ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ দ্রুত গলছে এবং বন্যা, ভূমিধস ও তুষারধসের ঝুঁকিও বাড়ছে। নেপাল-চীন সীমান্তের উজানে এখনো পানিপ্রবাহে বাধা থাকায় নতুন করে আরেক দফা বন্যার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।