বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬
১২ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> নেপাল–তিব্বতে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১৬৫, নিখোঁজ ১,৫০০

>> গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে হালকা প্রকৌশল শিল্পের উৎপাদন কমেছে, বেড়েছে খরচ

>> নজরুল: ছিলেন অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালকও

>> সেন্ট যোসেফ কলেজে একাদশে ভর্তি, ৬৫০ আসনের বিস্তারিত জেনে নিন

>> বেসবল মাঠে ক্রিকেট! এশিয়ান গেমসের ভেন্যু নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

>> ৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৩০ ফুট! নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ কী?

>> ফুলবাড়ীর দিকে তাকালে তারা কয়লা ছাড়া আর কিছুই দেখে না: আনু মুহাম্মদ

>> নেপালে আকস্মিক বন্যায় ১০৫ ভারতীয়সহ ৩৮৪ পর্যটক নিখোঁজ, নিহত ৫৫

>> যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ: ৭০০-এর বেশি মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক অটোয়ার

>> বাবার লাশ রেখে ২ ভাইয়ের মারামারি, এবার মাকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৩০ ফুট! নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ কী?


Rabeya ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:০৬



৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৩০ ফুট! নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ কী?


তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহের বড় অংশ ধসে পড়াকে অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে তাঁদের ধারণা, প্রায় ৫,২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহের নিচের অংশ ভেঙে প্রায় ১,২০০ মিটার নিচের উপত্যকায় আছড়ে পড়ে। এর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ ও পলিমাটি নেমে এসে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।

রয়টার্সের পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট ছবিতে দুর্যোগের পর পাহাড়ি এলাকা ধ্বংসস্তূপ ও পলিমাটিতে ঢেকে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমবাহের বরফ গলার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ও অবকাঠামো নির্মাণও পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

নেপালের রসুয়া জেলার লেন্দে নদী এলাকায় ভূমিধসের পর বরফ, পাথর ও পানির প্রবল স্রোত তৈরি হয়। এতে নদীর পানি মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৯ মিটার বা ৩০ ফুট বেড়ে যায়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

ভূমিকম্পকেও সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় এবং তিন মিনিট পরই আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। তবে ভূমিকম্পই সরাসরি হিমবাহধসের কারণ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ দ্রুত গলছে এবং বন্যা, ভূমিধস ও তুষারধসের ঝুঁকিও বাড়ছে। নেপাল-চীন সীমান্তের উজানে এখনো পানিপ্রবাহে বাধা থাকায় নতুন করে আরেক দফা বন্যার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।