মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬
২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ওসমানী উদ্যানের অবকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন, প্রতিমন্ত্রী বললেন—‘পৃথিবীর কোথাও এমন দেখিনি’

>> ছেলের পর বাবাও খুন, আতঙ্কে পরিবার—‘মামলা করব না, পুলিশ যা করার করবে’

>> পটুয়াখালীতে বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, বন বিভাগের জিডি

>> ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪২, মুচলেকায় মুক্ত

>> ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

>> ফেসবুক পোস্টের জন্য মৃত্যুদণ্ড, ছেলেকে ক্ষমার আবেদন মায়ের

>> আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়

>> কমিশন বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ: বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন

>> বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, ৯ এলাকায় বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর

>> ‘মক্কা চুক্তি’ কার্যকর, সৌদি আরবে সেনা মোতায়েনে সম্মত তুরস্ক ও পাকিস্তান

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৩০ ফুট! নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ কী?


Rabeya ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:০৬



৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৩০ ফুট! নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ কী?


তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহের বড় অংশ ধসে পড়াকে অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে তাঁদের ধারণা, প্রায় ৫,২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহের নিচের অংশ ভেঙে প্রায় ১,২০০ মিটার নিচের উপত্যকায় আছড়ে পড়ে। এর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ ও পলিমাটি নেমে এসে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।

রয়টার্সের পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট ছবিতে দুর্যোগের পর পাহাড়ি এলাকা ধ্বংসস্তূপ ও পলিমাটিতে ঢেকে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমবাহের বরফ গলার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ও অবকাঠামো নির্মাণও পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

নেপালের রসুয়া জেলার লেন্দে নদী এলাকায় ভূমিধসের পর বরফ, পাথর ও পানির প্রবল স্রোত তৈরি হয়। এতে নদীর পানি মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৯ মিটার বা ৩০ ফুট বেড়ে যায়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

ভূমিকম্পকেও সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় এবং তিন মিনিট পরই আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। তবে ভূমিকম্পই সরাসরি হিমবাহধসের কারণ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ দ্রুত গলছে এবং বন্যা, ভূমিধস ও তুষারধসের ঝুঁকিও বাড়ছে। নেপাল-চীন সীমান্তের উজানে এখনো পানিপ্রবাহে বাধা থাকায় নতুন করে আরেক দফা বন্যার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।