রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬
৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> কুয়েতে পাঠানো হয়নি ২০ টন উপহারের মাছ, এবার নিলামে

>> মাউন্ট ফুজিতে ৭ বছরের ছেলেকে একা রেখে গেলেন বাবা, ৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার

>> কলকাতার হোটেলে আগুন: আহম্মেদ বাবুর মরদেহ সাভারে, দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় স্ত্রী

>> বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তথ্য সংগ্রহ করে চাঁদা দাবি, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ৪

>> দুই দিনেই টেস্ট শেষ, বাকি সময় কী করবেন নাজমুলরা?

>> নেশার টাকার জন্য মা-ভাইকে বঁটি দিয়ে কোপানোর অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

>> বঙ্গভবনে প্রথম দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

>> ট্রাম্পের অর্থনৈতিক চাপ: প্রতিবেশীদের সতর্ক করল ইরান

>> প্রতিশোধের জয়? কামিন্স বললেন, ‘আত্মসম্মানের ব্যাপার’

>> টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, প্রথমবার ষষ্ঠ স্থানে

আপনি পড়ছেন : সুনামগঞ্জ

৬ হাজারের বেশি সিমকার্ডসহ প্রতারণা চক্রের চার সদস্য আটক


Rabeya ৩ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:৫১



৬ হাজারের বেশি সিমকার্ডসহ প্রতারণা চক্রের চার সদস্য আটক

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঝর্না চাকমা জিয়ানা (২৭), লিউ হুই জাং (৪৬), ওয়ে ইউজি (৩০) এবং শে ই রান (৪২)।

ডিবি সূত্র জানায়, শনিবার (১ আগস্ট) রাতে সাইবার ক্রাইম বিভাগের একটি বিশেষ দল ভাটারা থানার একটি ছয়তলা আবাসিক ভবনে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অভিযুক্তদের আটক করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তি সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয়।

অভিযানে ১৪টি ল্যাপটপ, ১৬টি স্মার্টফোন, বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৬ হাজারের বেশি সক্রিয় সিমকার্ড, ২০টি জিএসএম গেটওয়ে ডিভাইস, ২৬ বোতল বিদেশি মদ এবং নগদ ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, ঝর্না চাকমা জিয়ানা পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে এর চতুর্থ ও পঞ্চম তলা কয়েকজন চীনা নাগরিকের কাছে সাবলেট দেন। ওই ফ্লোরগুলোতে বসেই উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রম এবং অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতারণা চক্রটি চাকরির সুযোগ, বিশেষ অফার এবং স্বল্প সময়ে বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠাত। বার্তার সঙ্গে থাকা লিংকে প্রবেশ করলেই ভুক্তভোগীরা তাদের প্রতারণার জালে আটকা পড়তেন।

ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে চক্রটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করত। একটি মোবাইল ডিভাইসের সঙ্গে অতিরিক্ত সিম স্লট সংযুক্ত করে একই সময়ে ১২টি পর্যন্ত সিম পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এ কারণে প্রতারণার অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের আইএমইআই নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ত।

আটক চারজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।