শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২৬
১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> রাড্ডায় হামলা–মিষ্টির পদত্যাগ: বিএনপির কঠোরতা কতটা কার্যকর হবে?

>> রাড্ডার ঘটনায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ চাইলেন জামায়াত আমির

>> রাড্ডা ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে সরকার, দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা

>> ‘মা নেই, এখন আপনারাই আমাকে দেখে রাখবেন’—ফুলগাজীতে তারেক রহমান

>> রাউজানে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির অভিযোগ, রাতভর অভিযানে গ্রেপ্তার ১

>> শরীয়তপুর আদালত চত্বরে তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি

>> রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: পদত্যাগ করলেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

>> অনশনের পর মধ্যরাতে ময়মনসিংহে ২০ জনের নিয়োগপত্র, বঞ্চিত আরও দুজন

>> বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচির মধ্যে মাঠের তৎপরতা বাড়াচ্ছে বিএনপি

>> যুবদল নেতার মামলায় জামায়াতের ২৫ নেতা-কর্মী কারাগারে

আপনি পড়ছেন : সুনামগঞ্জ

৬ হাজারের বেশি সিমকার্ডসহ প্রতারণা চক্রের চার সদস্য আটক


Rabeya ৩ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:৫১



৬ হাজারের বেশি সিমকার্ডসহ প্রতারণা চক্রের চার সদস্য আটক

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঝর্না চাকমা জিয়ানা (২৭), লিউ হুই জাং (৪৬), ওয়ে ইউজি (৩০) এবং শে ই রান (৪২)।

ডিবি সূত্র জানায়, শনিবার (১ আগস্ট) রাতে সাইবার ক্রাইম বিভাগের একটি বিশেষ দল ভাটারা থানার একটি ছয়তলা আবাসিক ভবনে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অভিযুক্তদের আটক করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তি সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয়।

অভিযানে ১৪টি ল্যাপটপ, ১৬টি স্মার্টফোন, বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৬ হাজারের বেশি সক্রিয় সিমকার্ড, ২০টি জিএসএম গেটওয়ে ডিভাইস, ২৬ বোতল বিদেশি মদ এবং নগদ ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, ঝর্না চাকমা জিয়ানা পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে এর চতুর্থ ও পঞ্চম তলা কয়েকজন চীনা নাগরিকের কাছে সাবলেট দেন। ওই ফ্লোরগুলোতে বসেই উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রম এবং অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতারণা চক্রটি চাকরির সুযোগ, বিশেষ অফার এবং স্বল্প সময়ে বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠাত। বার্তার সঙ্গে থাকা লিংকে প্রবেশ করলেই ভুক্তভোগীরা তাদের প্রতারণার জালে আটকা পড়তেন।

ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে চক্রটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করত। একটি মোবাইল ডিভাইসের সঙ্গে অতিরিক্ত সিম স্লট সংযুক্ত করে একই সময়ে ১২টি পর্যন্ত সিম পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এ কারণে প্রতারণার অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের আইএমইআই নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ত।

আটক চারজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।