সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

সদ্যপ্রাপ্ত

>> ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মানুষ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

>> অস্ট্রেলিয়ায় শুধু লড়াই নয়, জয়ের লক্ষ্য নিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধান নির্বাচক

>> বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রত্যাশা আজও পূরণ হলো না

>> গ্যাস নেই, চুলা জ্বলে না—ভোগান্তির আগুনে পুড়ছে সাধারণ মানুষ

>> শেখ হাসিনা ছাড়া দেশ চালানোর মতো যোগ্য ব্যক্তি কেউ নেই

>> কোদাল হাতে বাগানে জয়া আহসান, সরল জীবনযাপনে মুগ্ধ ভক্তরা

>> ৬ হাজারের বেশি সিমকার্ডসহ প্রতারণা চক্রের চার সদস্য আটক

>> বঙ্গবন্ধুতেই রাজাকারদের চুলকানি

>> প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় স্বামী, ক্ষোভে ভেকু দিয়ে বাড়ি ভাঙার অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে

>> বলিউড ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন ইয়ামি গৌতম, ফিরতে চেয়েছিলেন হিমাচলে

LIVE

বঙ্গবন্ধুতেই চু'লকা'নি রা'জাকার'দের
আপনি পড়ছেন : সুনামগঞ্জ

৬ হাজারের বেশি সিমকার্ডসহ প্রতারণা চক্রের চার সদস্য আটক


Rabeya ৩ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:৫১



৬ হাজারের বেশি সিমকার্ডসহ প্রতারণা চক্রের চার সদস্য আটক

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঝর্না চাকমা জিয়ানা (২৭), লিউ হুই জাং (৪৬), ওয়ে ইউজি (৩০) এবং শে ই রান (৪২)।

ডিবি সূত্র জানায়, শনিবার (১ আগস্ট) রাতে সাইবার ক্রাইম বিভাগের একটি বিশেষ দল ভাটারা থানার একটি ছয়তলা আবাসিক ভবনে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অভিযুক্তদের আটক করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তি সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয়।

অভিযানে ১৪টি ল্যাপটপ, ১৬টি স্মার্টফোন, বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৬ হাজারের বেশি সক্রিয় সিমকার্ড, ২০টি জিএসএম গেটওয়ে ডিভাইস, ২৬ বোতল বিদেশি মদ এবং নগদ ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, ঝর্না চাকমা জিয়ানা পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে এর চতুর্থ ও পঞ্চম তলা কয়েকজন চীনা নাগরিকের কাছে সাবলেট দেন। ওই ফ্লোরগুলোতে বসেই উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রম এবং অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতারণা চক্রটি চাকরির সুযোগ, বিশেষ অফার এবং স্বল্প সময়ে বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠাত। বার্তার সঙ্গে থাকা লিংকে প্রবেশ করলেই ভুক্তভোগীরা তাদের প্রতারণার জালে আটকা পড়তেন।

ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে চক্রটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করত। একটি মোবাইল ডিভাইসের সঙ্গে অতিরিক্ত সিম স্লট সংযুক্ত করে একই সময়ে ১২টি পর্যন্ত সিম পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এ কারণে প্রতারণার অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের আইএমইআই নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ত।

আটক চারজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।