ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনকে “মানবতার ফেরিওয়ালা” আখ্যা দিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের সেবামূলক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যুবনেতা আয়মান হোসেন অপু। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাজনীতি যখন শুধুমাত্র ক্ষমতার কেন্দ্রিক না হয়ে মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয়, তখনই সমাজে নিক্সন চৌধুরীর মতো জননেতার আবির্ভাব ঘটে।
আয়মান হোসেন অপু বলেন, ফরিদপুর-৪ আসনের মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং জীবনসংগ্রামের সঙ্গে নিক্সন চৌধুরী নিজেকে এমনভাবে সম্পৃক্ত করেছেন, যা সমসাময়িক রাজনীতিতে বিরল। সাধারণ মানুষের কল্যাণে তাঁর নিরলস কাজ এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে জনগণের কাছে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির ভয়াবহ সময়ে যখন দেশের বহু মানুষ কর্মহীন ও অসহায় হয়ে পড়েছিলেন, তখন নিক্সন চৌধুরী নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। খাদ্যসামগ্রী, চিকিৎসা সহায়তা এবং জরুরি প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে তিনি হাজারো পরিবারকে আশার আলো দেখিয়েছেন। সংকটময় সেই সময়ে তাঁর মানবিক উদ্যোগ মানুষের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। এ কারণেই আজ তিনি সাধারণ মানুষের কাছে “মানবতার ফেরিওয়ালা” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
বিবৃতিতে আয়মান হোসেন অপু উল্লেখ করেন, নিক্সন চৌধুরী কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি শোষিত, বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের আস্থার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে ফরিদপুর-৪ আসনের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, তরুণ সমাজের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও নিক্সন চৌধুরীর অবদান উল্লেখযোগ্য। যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে এবং মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর দৃঢ় অবস্থান তরুণ প্রজন্মকে একটি সুন্দর ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
আয়মান হোসেন অপু আরও বলেন, দলমত নির্বিশেষে যেকোনো দুর্যোগ, বিপদ কিংবা সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে মানসিকতা নিক্সন চৌধুরী প্রদর্শন করেছেন, তা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত প্রশংসনীয়। মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এই জননেতার কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিবৃতির শেষাংশে তিনি বলেন, “জননেতা নিক্সন চৌধুরীর নেতৃত্বে জনকল্যাণ ও উন্নয়নের যে ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা অব্যাহত থাকুক। তিনি মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা নিয়ে আরও এগিয়ে যাবেন এবং একটি সুস্থ, সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন—এটাই আমার প্রত্যাশা।”