কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর দোকান থেকে জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাংস।
বুধবার দুপুরে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবণী আক্তারের নেতৃত্বে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে দোকানে রাখা মাংসের অস্বাভাবিক রং ও দুর্গন্ধ দেখে সন্দেহ হয় কর্মকর্তাদের। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ব্যবসায়ী স্বীকার করেন, তিনি বিভিন্ন এলাকা থেকে কম দামে অসুস্থ গরু কিনে সেখানে জবাই করে মাংস কটিয়াদীতে এনে বিক্রি করতেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে বাজিতপুর উপজেলার একটি এলাকা থেকে জবাই করা গরুর মাংস অটোরিকশায় করে কটিয়াদীতে আনা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে।
উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক দিদারুল আলম জানান, যেখানে মাংস বিক্রি হবে, সেখানে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী জবাই হওয়া প্রয়োজন। অভিযুক্ত ব্যবসায়ী জবাইয়ের বৈধ প্রমাণ বা গরুর চামড়া দেখাতে পারেননি। এছাড়া মাংসের রংও ছিল অস্বাভাবিক। এসব কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মাংস জব্দ করা হয়।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, একই অভিযোগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও ওই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।
স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু মাংস ব্যবসায়ী অসুস্থ বা নিম্নমানের গরুর মাংস বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।