নাটোরের লালপুরে গ্রেপ্তার এড়াতে গ্রামের প্রধান সড়ক থেকে নিজ বাড়ি পর্যন্ত ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে ওহিদুল মোল্লাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে একজন রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) কনস্টেবল রয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে তাঁদের লালপুর আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক সাদ্দাম হোসেন সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে রাতেই তাঁদের নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে বিলমাড়িয়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ওহিদুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ১০৬টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হ্যাকিং কার্যক্রম ও মাদক ব্যবসার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার এড়াতে ওহিদুল নিজের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় নজরদারির ব্যবস্থা করেছিলেন। বাড়ি থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত বসানো হয়েছিল ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। এ ছাড়া হ্যাকিংয়ের কাজে সাতটি মুঠোফোনে ৬৮টি সিম অদলবদল করে ব্যবহার করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, ঘুমানোর জন্য বাড়ির পাশে কবুতরের ঘরের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থা করেছিলেন ওহিদুল। সেখানে সিসিটিভি মনিটর ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্রসহ বিভিন্ন সুবিধা ছিল।
গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে আলামিন নামের এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। তিনি রাজশাহী আরআরএফের সদস্য। তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আরআরএফ রাজশাহীর কমান্ড্যান্ট দীন মোহাম্মদ।
তিনি জানান, নাটোর জেলা পুলিশ লিখিতভাবে বিষয়টি জানালে আলামিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।